বিচ্ছিন্নতা পশ্চাৎপদতাও বটে ক্ষতিকর ও সামাজিক অব্যাহতি
বিচ্ছিন্নতার আক্রমণ ও সামাজিক প্রাণীর বৈশিষ্ট্য
ব চ ছ ন নত পশ চ – বিচ্ছিন্নতা কখনও সত্য হতে পারে, কখনও ক্ষতিকর হতে পারে। মানুষ বিচ্ছিন্নতার সম্মুখীন হয় নানা কারণে যেমন সামাজিক কোনো বন্ধনের ছাড়া, আর্থিক অসুবিধা বা মানসিক ধারণার পার্থক্য। বিচ্ছিন্নতা যে ক্ষতিকর হতে পারে সেটা অস্বীকার করা যাবে না, কারণ এটি সামাজিক প্রাণীদের জন্য সাধারণ অব্যাহতি। এটি সুস্থ জীবন রক্ষা করে না, বরং প্রকৃতি ও প্রবৃত্তি দুই দিকে দিয়েই তাদের ধ্বংস করতে পারে। বিচ্ছিন্নতা কে অসুখ বলা চলে, যে জন্য চিকিৎসা আবশ্যক, যদি সম্ভব হয় তাকে মিথ্যা করে দেওয়াই ভালো।
অনিবার্য বিচ্ছিন্নতার পরিণতি ও নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন
কিছু সময়ে বিচ্ছিন্নতা অব্যাহতি হতে পারে, সেসময় ঘটনাটিকে বিধিলিপি হিসেবে গ্রহণ করা হয়। বিচ্ছিন্নতা ঘটে দুঃখ ও যন্ত্রণা থেকে, যা সামাজিক জীবনে স্থানীয় ও বিশ্বজুড়ে সত্য। এটি সামাজিক বিষয়ে অবশ্য নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনও বটে, কারণ সামাজিক সম্পর্কের ধ্বংস রাষ্ট্র ও অর্থনীতির ক্ষেত্রে ভয়াবহ হতে পারে। নিয়ন্ত্রণের মূল উদ্দেশ্য হলো ব্যক্তির জীবনকে সুস্থ ও স্বাভাবিক রাখার স্বার্থ।
বিচ্ছিন্নতা প্রভাব পড়েছে স্বাধীনতা ও সাম্যের ওপর। সাম্য থাকলে যে ব্যক্তির স্বাধীনতা নিশ্চিত হবে তা অবশ্য সত্য, কিন্তু সাম্য প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এটি কখনও স্বাধীনতার বিপর্যয় হতে পারে। আদিম সাম্যবাদী সমাজের কথা জানি, সেখানে ব্যক্তিগত সম্পত্তি ছিল না। কিন্তু রুশো দার্শনিক তাঁর সামাজিক ব্যবস্থাকে আদর্শায়িত করেছিলেন, কিন্তু সেই সমাজে ব্যক্তি সামাজিক চাপে অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে থাকত। জগৎ সীমাবদ্ধ ছিল, প্রকৃতি বৈরী ছিল এবং রোগের চিকিৎসা অকিঞ্চিৎকর ছিল।
বিচ্ছিন্নতার কেন্দ্রে আছে ক্ষমতা থাকা না থাকার বিষয়টা। পুঁজিবাদী আর্থসামাজিক ব্যবস্থাটা কাউকে কাউকে ক্ষমতা কুক্ষিগত করে বিচ্ছিন্নতা উত্পন্ন করে। এই ক্ষমতাবানদের দ্বারা বিচ্ছিন্নতা ঘটে বৈরাগী বা আক্রান্ত ব্যক্তির জন্য সামাজিক অব্যাহতি হতে পারে।
ব চ ছ ন নত পশ চ বিচ্ছিন্নতা ঘটে জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে। সামাজিক হওয়া সত্য, কিন্তু তার কার্যকর তৎপরতা রাষ্ট্র ও অর্থনীতি ক্ষেত্রে প্রয়োজন। বিচ্ছিন্নতা থাকার প্রয়োজন হয় কখনও সামাজিক প্রা�
