সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর: ইউরোপের পথে যাত্রা, নিখোঁজ ৫ জন, উৎকণ্ঠায় পরিবার
Table of Contents
জগন্নাথপুরের পাঁচ যুবক ইউরোপে যাওয়ার পথে হারিয়ে গেছেন
Banglajibon.com – স ন মগঞ জ র জগন ন – সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় দালালদের মাধ্যমে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে দেশ ত্যাগকারী পাঁচজন যুবক এখন নিখোঁজ। পরিবারগুলোর বরাত অনুযায়ী, তাদের মধ্যে কেউ এক মাস, আবার কেউ প্রায় ২০ দিন ধরে ঘরের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে রেখেছেন। এই অবস্থায় উৎকণ্ঠায় ভাসছে সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলো।
নিখোঁজ পাঁচ যুবকের পরিচয়
নিখোঁজ তালিকায় রয়েছেন রানীগঞ্জ ইউনিয়নের বাগমুনা গ্রামের আখল মিয়ার পুত্র জুয়েল আহমদ টিপু (২৩), একই ইউনিয়নের গন্ধর্বপুর গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের পুত্র হাবিব উল্লাহ (২৮), কলকলিয়া ইউনিয়নের হিজলা গ্রামের ছালিক মিয়ার পুত্র ইউসুফ আলী (২০), সৈয়দপুর-শাহারপাড়া ইউনিয়নের কুড়িকেতার গ্রামের মৃত আব্দুল কদ্দুছের পুত্র সাবেক মিয়ার (২৪) এবং চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়নের চিলাউড়া (মরল বাজি) গ্রামের জম্মাত আলীর পুত্র রুবেল মিয়ার (৩৫)।
দালাল চক্র ও চুক্তির বিবরণ
স্বজনদের প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, বিদেশে পাঠানোর জন্য দালাল চক্রের সঙ্গে প্রতি ব্যক্তি ১২ থেকে ১৬ লাখ টাকার চুক্তি সম্পন্ন হয়। গন্ধর্বপুর গ্রামের হাবিব উল্লাহর ক্ষেত্রে পাঁচ মাস আগে রানীগঞ্জ ইউনিয়নের ইছগাঁও গ্রামের দালাল আজিজের মাধ্যমে ১২ লাখ ৩০ হাজার টাকায় লিবিয়া থেকে গ্রিসে পৌঁছে দেওয়ার চুক্তি হয়। পরবর্তীতে ৩ আগস্ট রাত্রে লিবিয়া থেকে গ্রিসের উদ্দেশে রওনা দেন হাবিব উল্লাহ। সেই মুহূর্ত থেকেই তিনি নিখোঁজ।
অনুরূপভাবে, গত ছয় মাস আগে দিরাই উপজেলার এক দালালের মাধ্যমে ১৬ লাখ টাকার চুক্তিতে লিবিয়া যান জুয়েল আহমদ টিপু। সেখান থেকে ৩ আগস্ট গ্রিসে যাওয়ার জন্য নৌকায় উঠার পর থেকে তিনিও নিখোঁজ।
আর ইউসুফ আলী ও সাবেক মিয়ার দুজনে মিলে ২৬ লাখ টাকার চুক্তিতে চিলাউড়া গ্রামের করিম দালালের মাধ্যমে গত ১ জুলাই দেশ ত্যাগ করেন। লিবিয়া পৌঁছানোর পর এক মাস আগে গ্রিসের উদ্দেশে নৌকায় উঠেন তাঁরা। সেই সময় থেকে দুজনেই নিখোঁজ। একইভাবে গত এক মাস ধরে চিলাউড়া গ্রামের রুবেল মিয়ারও নিখোঁজ।
পরিবারগুলোর কণ্ঠে
এক সপ্তাহ আগে তার (হাবিব) সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছিল। এরপর থেকে আমরা তার কোনো খোঁজ পাচ্ছি না। এমনকি দালালও তার কোনো খোঁজ দিতে পারছে না।
হাবিব উল্লাহর বড় ভাই আব্দুল্লাহ এই কথাগুলো বলেন।
৩ আগস্ট দুপুরে আমার বড় ভাইয়ের সঙ্গে ভাগনে জুয়েলের শেষবারের মতো ফোনালাপ হয়। এরপর থেকে সে নিখোঁজ। ভাগনের চিন্তায় তার মা দিশেহারা হয়ে খাওয়াদাওয়া ছেড়ে দিয়েছেন। তবে দালাল বলছে, আমার ভাগনে নাকি মিসরের একটি হাসপাতালে জীবিত রয়েছে।
জুয়েলের মামা সাফি তালুকদার এই তথ্য দেন।
আমার ছেলে (ইউসুফ আলী) ও তালতো ভাই (সাবেক মিয়ার) একসঙ্গে লিবিয়া যায় এবং তারা একই দিনে নিখোঁজ হয়। এক মাসেও দালাল তাদের কোনো খোঁজ দিতে পারেনি।
ইউসুফ আলীর পিতা ছালিক মিয়ার এই কথাগুলো বলেন।
রুবেল মিয়ারের স্বজনরা এখনো আশা করছেন শিগগিরই কোনো ভালো সংবাদ পৌঁছাবে। এই আশার বুক বাঁধে রেখেছেন নিখোঁজ পাঁচ যুবকের সব পরিবার।
প্রশাসনের অবস্থান
আমরা নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের তথ্য সংগ্রহ এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে কাজ করছি।
জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইসলাম উদ্দীন এই বিষয়ে জানান।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is স ন মগঞ জ র জগন ন?
স ন মগঞ জ র জগন ন is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does স ন মগঞ জ র জগন ন matter?
স ন মগঞ জ র জগন ন matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.
