কক্সবাজারে ৫০০ কোটি টাকার সরকারি জমি দখলমুক্ত
Table of Contents
সুগন্ধা পয়েন্টে প্রায় ৫০০ কোটি টাকার খাসজমি থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
Banglajibon.com – কক সব জ র ৫০০ ক ট – কক্সবাজার শহরের সমুদ্রসৈকত এলাকার সুগন্ধা পয়েন্টের প্রবেশদ্বারে অবস্থিত প্রায় ৫ একর সরকারি জমিতে তৈরি করা বেঁড়া ও অন্যান্য অবৈধ কাঠামো ভেঙে ফেলা হয়েছে। রোববার বিকেল পাঁচটার দিকে এই উচ্ছেদ অভিযানের নেতৃত্ব নেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহমুদুর রহমান সাইেম।
দখলের ঘটনা ও সামাজিক প্রতিক্রিয়া
গত শুক্রবার গভীর রাতে শতাধিক ব্যক্তি গোপনে এলাকায় ঢুকে টিন ও বাঁশ দিয়ে জমিতে বেঁড়া তৈরি করে। তবে তাঁরা নিজদের পরিচয় প্রকাশ করেননি। স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, এই দখলের পেছনে একটি প্রভাবশালী চক্রের হাত রয়েছে। শনিবার বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়।
জমির ইতিহাস ও বাতিল প্লট
২০০৩ সালে কলাতলী হোটেল-মোটেল জোন হিসেবে ১৩০ একর জমি বরাদ্দ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগে উক্ত ৮৭টি প্লটের মধ্যে ৫৭টির বরাদ্দ বাতিল করা হয়। দখল হওয়া ওই জমিটি এস আলম গ্রুপের নামে বাতিলকৃত একটি প্লট। স্থানীয় তথ্যসূত্র বলছে, ২০১২ সাল থেকে বাতিলকৃত প্লটগুলোর দেখভাল দায়িত্ব জেলা প্রশাসন সামলে আসছে। সুগন্ধা পয়েন্টের ওই অংশে আগে ভাসমান হকারদের দখলে ছিল।
নাগরিক আন্দোলনের অবস্থান
রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালীরা দীর্ঘদিন ধরে সুগন্ধা পয়েন্টের সরকারি জমি দখল করে আসছে। যে দল ক্ষমতায় আসে, সেই দলের একটি অংশ সমুদ্রসৈকতসংলগ্ন এলাকার জমি দখল করে ঝুপড়ি-দোকান নির্মাণ করে ব্যবসা করে।
এস আলমের বাতিলকৃত প্লট রাতের আঁধারে দখলের অভিযোগ তুলে কক্সবাজার নাগরিক আন্দোলনের সদস্যসচিব এইচ এম নজরুল ইসলাম বলেন, প্রশাসনের নাকের ডগায়ই এই দখল সংঘটিত হয়েছে।
আগের উদাহরণ ও আইনি অবস্থা
গত বছর আওয়ামী লীগ নেতা ওবাইদুল হাসান ও সচ্চিদানন্দ সেনের দখলে থাকা ২ দশমিক ৩০ একর জমি দখলমুক্ত করেছিল জেলা প্রশাসন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান, বাতিলকৃত প্লট নিয়ে আদালতে নির্দেশনা রয়েছে — ফলে সেখানে নতুন স্থাপনা তৈরি বা ইজারা দেওয়া আইনগতভাবে বৈধ নয়।
পরবর্তী ব্যবস্থা
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুর রহমান সাইেম জানান, সরকারি জমি দখলের খবর জেলা প্রশাসনের নজরে আসার পরই উচ্ছেদ করা হয়েছে। ওই স্থানে ইতিমধ্যে ‘সরকারি জমি’ লেখা সাইনবোর্ড লাগানোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে কেউ সেখানে অবৈধ কাঠামো বা ঘেরা তৈরির চেষ্টা করলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানানো হয়।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is কক সব জ র ৫০০ ক ট?
কক সব জ র ৫০০ ক ট is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does কক সব জ র ৫০০ ক ট matter?
কক সব জ র ৫০০ ক ট matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.
