হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়টি সমাধান না হওয়া পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী ভারতে যেতে পারবেন না: নাহিদ
Table of Contents
নাহিদ ইসলাম: হাসিনার প্রত্যর্পণ না হলে তারেক রহমানের ভারত সফর অনুচিত
Banglajibon.com – হ স ন র প রত যর – জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। তিনি স্পষ্ট করেন, শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর করা উচিত নয়। এই বিষয়টি বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
দিল্লির সংবাদ সম্মেলনে ভারতের ভূমিকা
নাহিদ ইসলাম দিল্লিতে আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক সংবাদ সম্মেলনের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ওই সংবাদ সম্মেলনকে কেবল শেখ হাসিনার বক্তব্য হিসেবে বিবেচনা করলে ভুল হবে। ভারত সরকারের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সমর্থনেই সেখানে ওই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ঢাকার যদি ভারতের সেভেন সিস্টার্সের কোনো স্বাধীনতাকামী সংগঠন সংবাদ সম্মেলন করে এবং বাংলাদেশ সরকার বলে, ‘এর দায় আমাদের নয়, আমরা জানি না কীভাবে হয়েছে’—পৃথিবীর কেউ কি সেটা বিশ্বাস করবে? দিল্লিতে যে সংবাদ সম্মেলন হয়েছে, সেটিও ভারত সরকারের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সমর্থনেই হয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, দিল্লি থেকে আওয়ামী লীগ বা শেখ হাসিনা যা বলছে, সেটিকে শুধু শেখ হাসিনার বক্তব্য হিসেবে না দেখে ভারতের বার্তা হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।
ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড ও ৫ আগস্টের সংবাদ সম্মেলন
নাহিদ ইসলাম সম্প্রতি তারেক রহমানের সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাতের কথাও তুলে ধরেন। তিনি জানান, ওই সাক্ষাতের পর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের আসামিদের প্রত্যর্পণ ও শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে ভারতীয় হাইকমিশনারের বক্তব্যে এ বিষয়ে স্পষ্ট কিছু পাওয়া যায়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি।
৫ আগস্টের সংবাদ সম্মেলন নিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনের অবস্থান এখনো স্পষ্ট নয় উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় ভারত সরকারের দুঃখপ্রকাশ ও ক্ষমা চাওয়া উচিত ছিল। একই সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের আরও কঠোর অবস্থান নেওয়া ও ভারতীয় পক্ষের কাছে জবাবদিহি চাওয়া উচিত ছিল। কেন এই ধরনের সংবাদ সম্মেলন হলো, কীভাবে এটি সংগঠিত হলো—এর জবাবদিহি চাইতে হবে। বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধেই সংবাদ সম্মেলনটি হয়েছে।
বন্ধুত্বের শর্ত ও রাজনৈতিক ঐক্যের আহ্বান
ভারতের অবস্থানকে বাংলাদেশের গণতন্ত্র, বিচারব্যবস্থা ও সার্বভৌমত্বের জন্য প্রশ্নবিদ্ধ বলে মন্তব্য করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ভারত যদি বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বের কথা বলতে চায়, তাহলে প্রথমে শেখ হাসিনা ও ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের আসামিদের ফেরত দিতে হবে। পাশাপাশি সীমান্তে হত্যাকাণ্ডের মীমাংসা ও অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করতে হবে।
শেখ হাসিনাকে ও ওসমান হাদির খুনিদের ফেরত পাঠিয়ে, সীমান্তে হত্যাকাণ্ডের মীমাংসা করে, বাংলাদেশের নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করার পর বন্ধুত্বের কথা বলতে হবে।
এনসিপির এই নেতা সরকারকে ভারতের প্রতি এ বিষয়ে সুস্পষ্ট বার্তা দিতে বলেন। ৫ আগস্টের সংবাদ সম্মেলন নিয়ে তারেক রহমান ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে স্পষ্ট অবস্থান জানাতে হবে। বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থে এ বিষয়গুলোতে সব রাজনৈতিক দলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী
নাহিদ ইসলাম কী মন্তব্য করেছেন? নাহিদ ইসলাম মন্তব্য করেছেন যে, শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া এবং ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের নতুন রূপ নির্ধারণ না হওয়া পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারত সফর করা উচিত নয়।
দিল্লির সংবাদ সম্মেলন সম্পর্কে নাহিদ ইসলামের মতামত কী? তিনি বলেন, দিল্লির সংবাদ সম্মেলনকে শুধু শেখ হাসিনার বক্তব্য হিসেবে না দেখে ভারতের বার্তা হিসেবে বিবেচনা করা উচিত, কারণ এটি ভারত সরকারের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সমর্থনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বের শর্ত কী কী? নাহিদ ইসলামের মতে, শেখ হাসিনা ও ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের আসামিদের ফেরত পাঠানো, সীমান্তে হত্যাকাণ্ডের মীমাংসা এবং বাংলাদেশের নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করা বন্ধুত্বের মূল শর্ত।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is হ স ন র প রত যর?
হ স ন র প রত যর is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does হ স ন র প রত যর matter?
হ স ন র প রত যর matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.
