পবিপ্রবি: শিক্ষকদের ওপর হামলায় জড়িতরা এমপির অনুসারী
পব প রব – পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের পরিচয় অর্জন করা হয়েছে। হামলাকারীদের মধ্যে দুমকী উপজেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, কৃষক দল, স্বেচ্ছাসেবক দল এবং মহিলা দলের বিভিন্ন তন্ময় নেতা-কর্মীদের দেখা গেছে। ভিডিও ফুটেজ এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে হামলার বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে তারা পটুয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য আলতাফ হোসেন চৌধুরীর অনুসারী।
হামলার প্রক্রিয়া ও কর্মসূচি
গত সোমবার সকাল ৯টার দিকে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দ্বারা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হচ্ছিল। তাদের দাবি ছিল উপাচার্য ড. কাজী রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের তদন্ত এবং অপসারণ প্রয়োজন। এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা ঘোষণা করেন যে এটি পূর্বপরিকল্পিত হামলা ছিল।
হামলার পরিচালনা করেছেন দুমকী উপজেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ বশির উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের বহিষ্কৃত সদস্যসচিব রিপন শরীফ ও তাঁর ভাই শিপন শরীফ। তাঁদের নেতৃত্বে মোটরসাইকেল চালিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশের চেষ্টা করা হয়। প্রক্টরকে ফোন করে হুমকি দিয়ে গেট খুলে বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকার জন্য চেষ্টা চালু করা হয়। যেখানে আনসার কর্মী বাধা দেন, তারা ভয়ভীতি দেখায় এবং প্রক্টরকে নির্দেশ দেয় গেট খোলা।
ফটকে দায়িত্বে থাকা আনসার কর্মী বাধা দিলে হামলাকারীদের মধ্যে হাতাহাতি ঘটে। তারা চেয়ার দিয়ে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের এলোপাতাড়ি মারধর করে। মোট আহত হন অন্তত ৩০ জন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী।
প্রক্টর অধ্যাপক ড. আবুল বাশার খান জানান, ‘বশির উদ্দিন আমার অফিসে এসে বলতেন যে ভাইস চ্যান্সেলর তাঁর আত্মীয়। তাঁকে দেখে রাখবেন এবং তাঁর সমস্যা হয় না বলে স্বীকার করেছিলেন।’
নেতাদের প্রতিবাদ ও সম্পর্ক তৈরি
সরাসরি হামলা করেছেন দুমকী উপজেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ বশির উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের সদস্য রিপন শরীফ ও তাঁর ভাই শিপন শরীফ। যাঁদের মধ্যে বশির উদ্দিন, আহসান ফারুক, সুলতান শওকত, হেলেনা খানম, মুসা মৃধা, সৈয়দ শামীম ও আব্দুল ওহাবকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। অন্যদিকে প্রক্টর অধ্যাপক ড. আবুল বাশার খান জানান যে গতকাল হামলার জন্য ভাইস চ্যান্সে
