দরপ্রস্তাব নেই, ৪ হাটের একটিরও ইজারা হয়নি
পশু হাট ইজারার দরপ্রস্তাব নেই বলে দাবি
দরপ রস ত ব ন ই ৪ – দরপ রস ত ব ন ই এবার উপজেলা প্রশাসনের তরফে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলায় বর্তমান বঙ্গাব্দে চারটি পশু হাটে কোনো ইজারা প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়নি। গত বছর পাঁচ কোটি টাকার বেশি অর্থ সংগ্রহ করার পর এই বছর এক নেতা বাসিন্দাদের আশংকা জানাচ্ছেন যে তারা পূর্বের গুরুত্বপূর্ণ হাটগুলো হারিয়েছেন। উপজেলা প্রশাসনের তরফে চার বার দরপত্র আহ্বান করা হয়েছিল কিন্তু কোনো ইজারা হয়নি। ফলে সরকারি রাজস্ব ক্ষুব্ধ হয়েছে এবং বিশেষ কর্মকর্তাদের প্রতিক্রিয়া প্রাসঙ্গিক হয়েছে।
এই সংক্রান্ত বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের সূত্রে জানা গেছে যে বর্তমান বছরে মোট ১৬টি হাট-বাজারের দরপত্র আহ্বান করা হয়েছিল। যার মধ্যে দ্বাদশটি হাট থেকে ইজারা সংগ্রহ করা হয়েছিল। কিন্তু চারটি পশু হাটে দরপত্র আহ্বান করা হলেও কোনো প্রস্তাব প্রাপ্ত হয়নি। বিশেষ করে সিংগাইর উপজেলার চারটি পশু হাট বিক্রির দরপ রস ত ব ন ই হারিয়েছে বলে অভিযোগ জানাচ্ছে। এ হাটগুলো সাধারণত কোরবানি পশু বিক্রির জন্য পরিচিত ছিল। গত বছর সেগুলো থেকে পাঁচ কোটি টাকার বেশি রাজস্ব সংগ্রহ করা হয়েছিল। কিন্তু এবার কোনো দরপ্রস্তাব আসেনি।
সিংগাইর উপজেলার চারটি পশু হাট হলো—সিরাজপুর পশু হাট, বায়রা পশু হাট, জয়মণ্টপ পশু হাট এবং চর রাজনগর পশু হাট। গত বছর সিরাজপুর হাট থেকে দুই কোটি টাকার ইজারা প্রাপ্ত হয়েছিল। হাটটির সরকারি সর্বনিম্ন দর ছিল ১ কোটি ৪৯ লাখ ৮৫ হাজার ৯১৪ টাকা। কিন্তু এবার দরপ রস ত ব ন ই সেই হাটগুলোতে ইজারা হয়নি। সেগুলো আরও কম আয় সৃষ্টি করেছে।
“আমাদের সরকার চারটি হাটে দরপ রস ত ব ন ই একটিরও ব্যবস্থা করেনি। এটি দরপ রস ত ব ন ই ক্ষমতার পরিচয় দেয়।” বলেন একজন বাসিন্দা। এ বছর চার হাটে দরপ্রস্তাব জমা পড়েনি বলে অভিযোগ জানাচ্ছে স্থানীয় সাধারণ মানুষ। এই দরপ রস ত ব ন ই নেই বলে মনে করছেন তারা উপজেলা প্রশাসন প্রতিক্রিয়া প্রাসঙ্গিক হয়েছে।
বিশেষ কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতি এবং দরপ রস ত ব ন ই সংক্রান্ত প্রস্তাব ব্যবস্থাপনার কারণে এই হাটগুলো প্রতিক্রিয়া প্রদান করেনি। উপজেলা প্রশাসন বর্তমান বছর চার হাটে ইজারা হয়নি বলে প্রতিক্রিয়া সংগ্রহ করতে চেয়েছে। সাধারণত এ হাটগুলো দরপ রস ত ব ন ই প্রদান করতে বিশেষ কর্মকর্তাদের প্রভাব ছিল। এবার তারা অভাবের কারণে ইজারা প্রস্তাব জমা দেয়নি।
বায়রা পশু হাট গত বছর ১ কোটি ৩০ লাখ টাকায় ইজারা দেওয়া হয়েছিল। হাটটির প্রাক্কলিত দর ছিল ৭৭ লাখ ১১ হাজার টাকা। এ বছর ছয়টি দরপত্র সংগ্রহ করা হলেও কোনো ইজারাদার বিষয়টি কাজে লাগিয়েছেন না। জয়মণ্টপ হাট গত বছর ১ কোটি ৯০ লাখ টাকার বেশি দরপ রস ত ব ন ই
