শ্রীপুরে বাকিতে পণ্য না পেয়ে দোকানে ভাঙচুর ও গুলি, আহত ৫ জন
ঘটনার স্থান ও সময়
শ র প র ব ক ত – শ্রীপুর বাকিতে পণ্য না পেয়ে একটি সংঘটনে শোকের ছাপ ছড়ায়। গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার মুলাইদ গ্রামে মঙ্গলবার (১২ মে) রাতে ঘটে এই ঘটনা। দুই আসামী, রানা ভান্ডারি ও তার ছোট ভাই মামুন নামের ব্যক্তিরা দোকানটি ভাঙচুর ও লুটপাটের চেষ্টা করে। সেই সময় হাতাহাতি ঘটে এবং তিনটি গুলি ছোড়া হয়। আহতদের সংখ্যা নিয়ে চিন্তা চলছে যে কেন শ্রীপুর বাকিতে পণ্য না পেয়ে মানুষের মাঝে এমন গুরুতর আচরণ দেখা যায়।
আসামীদের দুর্বৃত্ত আচরণের প্রথম ধাপে দোকানে বাকিতে পণ্য না পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা দ্বিতীয় দিন পর পুনরায় এসে হামলা করে। সেই সময় দোকানের মালিক হাজি কাছম আলী ফকির ও তার পরিবারের সদস্যদের প্রতি গুলি চালানো হয়। পুলিশ ঘটনার পর শ্রীপুর বাকিতে পণ্য না পেয়ে সমাজের উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে।
আহতদের তালিকা
আহতদের মধ্যে রয়েছে দোকানের মালিক হাজি কাছম আলী ফকিরের ছেলে কামাল ফকির ও তার ভাগনে সিয়াম। ম্যানেজার শাহিন এবং কর্মচারী শান্ত আহত হন। শ্রীপুর বাকিতে পণ্য না পেয়ে তাদের পরিবারে আতঙ্ক ছড়ায়। আহতদের গুরুতর অবস্থার কারণে চিকিৎসা প্রক্রিয়া চলছে।
আহতদের কারণে শ্রীপুর বাকিতে পণ্য না পেয়ে সমাজের মধ্যে বিতর্ক বৃদ্ধি পেয়েছে। আসামীদের গুলি নিয়ে কেবল শ্রীপুর বাকিতে পণ্য না পেয়ে হামলা করেছে বলে মনে করা হচ্ছে। এ ঘটনায় দোকানের স্থানীয় বাসিন্দারা খুব ভয় পেয়েছেন।
পরিস্থিতির বিবরণ
শ্রীপুর বাকিতে পণ্য না পেয়ে ঘটনার আগে দুই আসামী পুনরায় দোকানটিতে যান। তারা দুই দিনের বাকি পণ্য না পেয়ে খবর পেয়ে আহত করে। সেই সময় দোকানের পাশে কিছু বাসিন্দা মীমাংসা করে দেন। কিন্তু তারা গুলি ছুড়ে দেয়া হয়। শ্রীপুর বাকিতে পণ্য না পেয়ে অপরাধ দ্বারা দোকান ভাঙচুর হয়।
শ্রীপুর বাকিতে পণ্য না পেয়ে আতঙ্ক ছড়ানোর পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে। পুলিশ কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাছির আহমেদ বলেন, এটি একটি গুরুতর ঘটনা ছিল। তিনি ঘটনার তদন্ত শুরু করেন এবং পুলিশ কর্মকর্তারা দোকানের বিষয়ে চিন্তা করছেন। শ্র
