Bangladesh

বানেশ্বর হাট: আমের বাজার এখনো জমজমাট

Table of Contents
  1. বানেশ্বর হাট: আমের বাজার এখনো জমজমাট
  2. বাজারের সম্প্রদান ও আমের প্রকারভেদ
  3. বানেশ্বর হাটের আম বিক্রি এবং সম্পর্কিত চাহিদা

বানেশ্বর হাট: আমের বাজার এখনো জমজমাট

ব ন শ বর হ ট – বানেশ্বর হাট বাংলাদেশের রাজশাহী জেলায় একটি বিশেষ মৌসুমী বাজার হিসেবে পরিচিত। বর্তমান মৌসুমে আমের বিক্রি অবস্থা প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে, যদিও মৌসুমের সমাপ্তি কাছাকাছি হওয়ায় বাজারে দাম উল্লেখযোগ্য ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বানেশ্বর হাটে সরবরাহ হ্রাসের কারণে বিভিন্ন জাতের আমের দাম মণ প্রতি ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে, যা বাজারে ক্রেতাদের জন্য বিপাক সৃষ্টি করছে।

বাজারের সম্প্রদান ও আমের প্রকারভেদ

বানেশ্বর হাটে আমের বিক্রি চলছে আগস্টের শুরু থেকে স্থায়ী ভাবে। মুখ্য বিক্রেতারা জানান, এখন বাজারে ফজলি, বারি-৪, আম্রপালি এবং আশ্বিনা আম পাওয়া যাচ্ছে। তবে আম আমদানি হ্রাসের কারণে কয়েকটি গুটি আম পাওয়া গেলেও ক্রেতার সংখ্যা কমে গেছে। বানেশ্বর হাট এখন পর্যন্ত বিভিন্ন বিক্রেতাদের প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি করছে, যা দাম বৃদ্ধির জন্য অনেকটা দায়ী।

হাটের আম ব্যবসায়ী ছালিমউদ্দিন জানান, মৌসুম শেষ পর্যায়ে আসছে। বানেশ্বর হাটে আম আমদানি কমবে এবং দাম আরও বাড়বে বলে আশা করছেন। তিনি বলেন, বাজারে প্রতিযোগিতা কম হওয়ায় প্রতিটি গুটি আম সাধারণত মণ প্রতি ১২০০ টাকার কাছাকাছি দামে বিক্রি হচ্ছে।

বানেশ্বর হাটে প্রসিদ্ধ ফজলি আম মণ প্রতি ২ হাজার ২২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে উচ্চ মূল্যবান আম হিসেবে পরিচিত, যার দাম সম্প্রতি আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। আম্রপালি আমের দাম বেশি, যা আকারভেদে মণ প্রতি ৪ হাজার থেকে ৪ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত পৌঁছেছে। গত সপ্তাহে এই আমের দাম ছিল ৩ হাজার থেকে ৩২০০ টাকা মণ।

বানেশ্বর হাটের আম বিক্রি এবং সম্পর্কিত চাহিদা

অনলাইন ব্যবসায়ী আরমান আলী বলেন, বানেশ্বর হাটে আমের দাম অনেক বেশি হওয়ায় অনেক ক্রেতা ফোন করছেন, দাম শুনে ক্রয় বন্ধ করে দিচ্ছেন। তিনি দাবি করেন, বাজারে ক্রেতা হ্রাসের কারণে বিক্রেতারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

বানেশ্বর হাটে আম বিক্রির প্রক্রিয়া প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে, যার ফলে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা কষ্টকর হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে কিছু প্রাচীন জাতের আম যেমন আশ্বিনা আম বাজারে সংখ্যাগুণে কম হওয়ায় বিক্রেতাদের লাভ কমে গেছে। বানেশ্বর হাট এখন বিশেষ করে শিল্পীদের জন্য বিপাকের সম্মুখীন হচ্ছে।

রাজশাহী জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অ

Leave a Comment