সালাহের জন্মদিনে বিশ্বকাপ জয় অব্যাহত থাকে মিসরের
স ল হর জন মদ ন ও – মেটেরোলজিক্যাল ব্যুরো অনুযায়ী, গত ৩০ বছরের মধ্যে সিয়াটলে এই ছিল সবচেয়ে উষ্ণ দিন। এই দিনটি ছিল মোহামেদ সালাহের ৩৪তম জন্মদিন। তিনি দারুণ একটি অ্যাসিস্ট করেন যে স্মরণীয় করে রাখতে চাওয়া হয়।
মিসর কিন্তু সিয়াটল স্টেডিয়ামে বেলজিয়ামের বিপক্ষে খেলার সময় বিশ্বকাপের ৯২ বছরের দু:খ ঘোচাতে পারেনি। প্রথমার্ধে খেলার নিয়ন্ত্রণ ছিল সালাহের হাতে। ম্যাচের ১৯ মিনিটে ডি-বক্সের ঠিক বাইরে সালাহের পাস থেকে ইমাম আশুর গোল করেন। তাঁর ডান পায়ে বুলেট গতির শট দিয়ে বেলজিয়ান গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়াকে পরাস্ত করেন। গোলটি সালাহের এগিয়ে থাকার কারণে মিসর এগিয়ে যায় আর বিপক্ষে প্রতিশোধ গ্রহণের জন্য বেলজিয়াম চাপে পড়ে।
৫৩ মিনিটে কেভিন ডি ব্রুইনার ফ্রি-কিকে লেগে বেলজিয়াম পুনরায় সমতা পুনর্গঠন করে। এর ঠিক দুই মিনিট পর মিসর একটি অবসরপ্রাপ্ত গোলে আবারও সমতা বজায় রাখতে সক্ষম হয়। ইয়াসির ইব্রাহিমের রেফারির ক্রস রুখতে গিয়ে ইমাম আশুর রিবাউন্ডে বল নিয়ে নিজেদের জালে জড়িয়ে যায়। প্রথম গোলের নায়ক আশুরের হেডার দ্বারা কোর্তোয়া বল কোনোমতে ফিরিয়ে দেন যার ফলে মিসর সেটি কেটে দেয়।
খেলার শেষ দিকে বেলজিয়াম নিজেদের জয় পেতে চায়। ৮২ মিনিটে মেখেলের জোরালো হেডার দ্বারা মোস্তফা শোবের গোলরক্ষক দক্ষতায় গোল রক্ষা করেন। সেই পরবর্তী মুহূর্তে মিসর পেনাল্টি আবেদন জানায়। ডি-বক্সের ঠিক লাইনে জিজো ফাউলের শিকার হলে রেফারি তাতে সাড়া দেন না এবং ভিএআর চেক করে পেনাল্টি নাকচ করে।
মিসর বিশ্বকাপের জয় পেতে সম্পূর্ণ মাঠ ছাড়ে গোলের ড্র। সম্পূর্ণ ম্যাচে সালাহ কোন গোল করতে পারেন নি কিন্তু সেই অ্যাসিস্ট তাঁর বিশ্বকাপের মুখোমুখি যুদ্ধে সাহায্য করে। তিনি বিপক্ষ দলের প্রতিরোধ কাটিয়ে উঠেছেন এবং বার্ষিক সংখ্যার উপর সম্পূর্ণ দু:খ বিশ্বকাপে রয়ে যায়।
