ল টন ক ন ন ই ব – বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি দলের সহ-অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পরই অধিনায়ক হিসেবে অভিষেক হয়েছে তাওহীদ হৃদয়ের। তবে সেটি পরিকল্পনার অংশ ছিল না। চোটের কারণে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ম্যাচে মাঠের বাইরে থাকতে হয়েছে নিয়মিত অধিনায়ক লিটন দাসকে। তাঁর অনুপস্থিতিতেই নেতৃত্বের দায়িত্ব এসে পড়ে হৃদয়ের কাঁধে। লিটনের চোট নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল আগেই। ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচে ব্যাটিংয়ের সময় চোট পান তিনি। ব্যথার কারণে একপর্যায়ে মাঠ ছাড়লেও পরে আবার ব্যাট করতে নেমে মিরপুরে ওয়ানডেতে নিজের প্রথম ফিফটির দেখা পান। তবে ম্যাচ শেষে তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে খুব বেশি আশাবাদী হতে পারেনি দলের মেডিকেল বিভাগ। এমন পরিস্থিতিতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে শেষ মুহূর্তে দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয় সৌম্য সরকারকে। শেষ পর্যন্ত আশঙ্কাই সত্যি হয়েছে। প্রথম ম্যাচে লিটনকে ছাড়াই মাঠে নামতে হয়েছে বাংলাদেশকে। লিটনের চোটের সর্বশেষ অবস্থা জানিয়ে জাতীয় দলের ফিজিও দেলোয়ার হোসেন শিবা বলেছেন, ‘মেডিকেল এসেসমেন্টের পর দেখা গেছে, লিটনের বাঁ পায়ের কাফ মাংসপেশিতে গ্রেড-১ মাত্রার টান (স্ট্রেইন) ধরা পড়েছে। চোটটি খুব গুরুতর নয় এবং সে ভালোভাবেই সেরে উঠছে। তবে প্রথম ম্যাচে তাকে পাওয়া যাবে না। চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে তার অগ্রগতির ওপর নির্ভর করে পরবর্তী ম্যাচগুলোতে সে খেলার জন্য ফিট হতে পারে। আমরা তার অবস্থার ওপর নিবিড়ভাবে নজর রাখছি।’ ফিজিওর বক্তব্যে স্বস্তির খবর থাকলেও প্রথম ম্যাচে লিটনের অনুপস্থিতি ভুগিয়েছে বাংলাদেশকে। তাঁর অনুপস্থিতিতে আগে ব্যাট করতে নেমে তাওহীদ হৃদয়ের নেতৃত্বাধীন দল মাত্র ১৩১ রানে অলআউট হয়ে যায়। এখন লিটনের পুনর্বাসনের অগ্রগতির দিকেই তাকিয়ে আছে টিম ম্যানেজমেন্ট। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে সিরিজের পরবর্তী ম্যাচগুলোতে তাঁকে আবারও মাঠে দেখা যেতে পারে।
লিটন কেন নেই, ব্যাখ্যা দিল বিসিবি
