Sports

‘রাস্তার খেলোয়াড়’ থেকে স্পেনকে ফাইনালে তোলার নায়ক

রাস্তার খেলোয়াড় হতে স্পেনের জয়ের কৃতিত্বে উঠেছেন পেদ্রো পোরো

র স ত র খ ল য – ফ্রান্সের জালে বল পড়ার সময় তাঁকে আর পায় কে না বলে পুরো রাত অতিবাহিত হয়েছে। ১৬ বছর পর বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর এই রাতের মুখ্য পাত্র পেদ্রো পোরো।

ফ্রান্সকে ২–০ গোলে হারানোর ম্যাচে স্পেনের দ্বিতীয় গোলটি করেন পোরো। দানি অলমোর সঙ্গে যুক্ত হয়ে বক্সে ঢুকে ঠান্ডা মাথার ফিনিশিংয়ে ম্যাচটি নিশ্চিত করে দেন। তবে ম্যাচ শেষে গোলের চেয়ে দলকেই সামনে আনতেন পোরো।

‘এটা দলের জন্য। সবাইকে অভিনন্দন।’

ম্যাচসেরার দাবি করেন পোরো, যিনি অবিশ্বাসযোগ্য ভাবে এই শিখরে পৌঁছেছেন। তিনি বলেন, ‘স্বপ্ন সতি হলো। এটি (গোল করা) আমার কল্পনারও বাইরে ছিল। শুরু থেকেই দলের মানসিকতায় আমি খুব খুশি। যা করার দরকার ছিল, আমরা সবই করেছি।’

স্পেনে পোরোকে অনেকে ‘হুগাদর দে কাইয়ে’ (রাস্তার খেলোয়াড়) বলে ডাকেন। এ নাম তাঁর মানসিকতার জন্য বেশি বিশেষ। রাস্তায় বড় হয়েছেন বলে নয়, বরং তাঁর সাহসিক প্রতিভা এবং সামগ্রিক সাংঘাতিক মনোযোগ তাঁকে এত জনপ্রিয় করেছে।

আপনার বিষয়ে কথা বলেন পোরো

স্পেনের পশ্চিমাঞ্চলের ছোট শহর দন বেনিতোতে এই মানসিকতার শিকড় খুঁজে পাওয়া যায়। যেখানে জনসংখ্যা মাত্র ৪০ হাজার। সেখানে বড় হয়েছেন পোরো।

অনুশীলন না থাকলেও মাঠ ছাড়তেন না। নিজের দলের খেলা না থাকলে অন্য দলের কোচদের কাছেও গিয়ে খেলতে চাইতেন। শৈশবের কোচ কার্লোস মোরেনো তাঁকে আলাদা করেছিলেন তাঁর অপরিহার্য জয়ের ক্ষুধা। এক ম্যাচে ছয় গোল করেও দল হেরে যাওয়ায় মন খারাপ করে বাড়ি ফিরেছিলেন তিনি।

বাবা–মা দুজনই কাজ করতেন। তাই ছোটবেলার বড় একটা সময় কেটেছে দাদার কাছে। অনুশীলন থেকে ম্যাচ—সব জায়গায় নাতির সঙ্গী ছিলেন দাদা আন্তোনিও। পোরো গোল করলেই হাতে তুলে দিতেন একটি মিষ্টি।

পরে ১৪ বছর বয়সে পরিবার ছেড়ে রায়ো ভায়োকানোর একাডেমিতে যোগ দিতে হয় তাঁকে। সেই ত্যাগই খুলে দেয় বড় মঞ্চের দরজা। জিরোনা, স্পোর্টিং লিসবন হয়ে টটেনহ্যামে নিজের জায়গা করে নেওয়া পোরো এখন স্পেনেরও রাইটব্যাকে নির্ভরতার নাম।

অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে শেষ ষোলোয় করেছিলেন জাতীয় দলের হয়ে প্রথম গোল। সেমিফাইনালে করেন আরও একটি। রক্ষণেও ছিলেন সমান কার্যকর।

ফ্রান্সের বিপক্ষে স্পে

Leave a Comment