ঈদের দিনেও অনুশীলনে জিকো-মোরসালিনরা
ঈদ উপলক্ষে মাঠে প্রবেশ
ঈদ র দ ন ও অন শ – ঈদুল আজহার আনন্দের দিনে সান মারিনোর বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচের জন্য ফুটবলাররা পরিচালনার ব্যবস্থা করেছেন। সকাল থেকে আরও সকালে সরাসরি অনুশীলনে যোগ দেন তারা। দিনের প্রথম ক্ষীণ ঘুম থেকে উঠে, ঈদের নামাজ ও নাশতা শেষ করে বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিতে ক্রিকেট ক্যাম্পে ফেরা বিশ্রামের সুযোগ পাননি ক্রিকেটাররা।
জিকোর আত্মবিশ্বাস ও ক্ষোভ
জাতীয় দলের তারকা গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকো পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে না পারার অনুভূতি প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘ঈদ আমাদের জন্য আনন্দের দিন হওয়া উচিত। কিন্তু এই দিন ফ্যামিলির সঙ্গে করতে পারতেছি না তাই খারাপ লাগছে। তবে দেশের জন্য ত্যাগ করা আমাদের উপর পড়েছে। পূর্বেও এ ধরনের ব্যবস্থা করেছি।’
‘ঈদের দিন আমাদের জন্য অবশ্যই আনন্দের দিন। ফ্যামিলির সঙ্গে করতে পারতেছি না, একটু খারাপ লাগতেছে; কিন্তু দেশের জন্য ত্যাগ স্বীকার করতে হবে। এর আগেও অনেকবার করছি।’
মোরসালিনের মনোভাব ও প্রস্তুতি
শেখ মোরসালিন পরিবারের বাইরে ঈদ উদযাপনের টানা তৃতীয়বারের জন্য কঠিন সময়ের মুখোমুখি হয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ‘এই ঈদ দিয়ে আমার পরপর তিনটা ঈদ বাসার বাইরে করা। এটা আসলে কঠিন। তবে দেশের হয়ে আমরা প্রতিনিধিত্ব করছি। দিনশেষে যখন আমরা টিম মেম্বার সবাই একসঙ্গে মিলি—এটাও আমাদের একটা পরিবার, আমাদের কাছে এমন হয়ে গেছে। মুহূর্তগুলো উপভোগ করছি।’
‘এই ঈদ দিয়ে আমার পরপর তিনটা ঈদ বাসার বাইরে করা। এটা আসলে কঠিন। তারপরও দেশের হয়ে আমরা প্রতিনিধিত্ব করছি। দিনশেষে যখন আমরা টিম মেম্বার সবাই একসঙ্গে মিলি—এটাও আমাদের একটা পরিবার, আমাদের কাছে এমন হয়ে গেছে। মুহূর্তগুলো উপভোগ করছি।’
নতুন কোচের কোচিং স্টাইল ও দলের প্রস্তুতি নিয়ে মোরসালিন আরও বলেন, ‘আসলে খুব অল্প সময়, এ ব্যাপারে মন্তব্য করা কঠিন। তবে কোচের খুব পজিটিভ এনার্জি আছে, আমাদের শেখানোর চেষ্টা করছেন। উনি খুব বন্ধুত্বপূর্ণ, ভুল হলে খুব সুন্দর করেই বুঝিয়ে দেন। আমরা খুব ভালোভাবে ট্রেনিং করতেছি এবং আশা করছি পরের ম্যাচটা আমরা জিততে পারব।’
