সংসদ কর্মকর্তারা বাজেট প্রণয়নে অংশগ্রহণ কম করছেন
ব জ ট প স স সদ – ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট নিয়ে জাতীয় সংসদে আলোচনা চলছে। পাবনা-১ আসনের (জামায়াতে ইসলামী) সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান বলেন, ‘বাজেটের ওপর প্রণয়ন করা বই সবাই পড়েন না উল্লেখ করেছেন, আমরা সে বিষয়ে পড়ার প্রয়োজনও অনুভব করি না। কারণ, আমরা বাজেট প্রণয়ন করি না, আমাদের ভূমিকা শুধু বাজেট পাস করার জন্য রাবার স্ট্যাম্প হিসাবে বিবেচিত হয়।’
বাজেটের প্রক্রিয়া বিশ্লেষণ
নাজিবুর রহমান আরও বলেন, ‘আমাদের যদি সত্যিকার অর্থে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হয়, তাহলে সংসদ সদস্যদের বাজেট প্রণয়নে সম্পৃক্ত করতে হবে। মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটিগুলোতে এই বাজেট নিয়ে পর্যালোচনা করার ব্যবস্থা করতে হবে। আমি দুঃখের সঙ্গে বলছি, এই বাজেটও পূর্ববর্তী বছরের মতোই গতানুগতিক এবং লুটপাটের পরিকল্পনা।’
বাংলাদেশে সংসদের বাজেট প্রক্রিয়া অনেক দেশের চেয়ে সরল। সংসদ সদস্যদের ভূমিকা সীমাবদ্ধ থাকে কয়েক মিনিটের গলাবাজির মধ্যে।
কর প্রণয়নে নির্ভরতা ও বিতর্ক
তিনি আরও জানান, ‘বাজেটের দুই ধরনের কর আছে—প্রত্যক্ষ আর পরোক্ষ কর। দেশের ১৮ কোটি লোকের মধ্যে প্রত্যক্ষ করের বোঝা কেবল ২৪ লাখ মানুষের উপর পড়েছে। এটা কি গরিববান্ধব বাজেট হলো? অনেক কার্ড দিচ্ছে সরকার, একটা ভ্যাট মওকুফ কার্ড যদি গরিব মানুষের জন্য দিতেন, তাহলে ভালো হতো।’
জনগণ করের বোঝায় জনগণ সরকারকে জাকাত নিয়ে বিশ্বাস করবে না। ভ্যাটের আওতা আপনারা বাড়িয়েছেন, গ্যাস সিলিন্ডার সহ ২০টি পণ্যের ওপর ভ্যাট বেড়েছে। একজন ভিক্ষুক চাল ডাল নুন তেল কিনতে যে পরিমাণ দেয়, একজন কোটিপতিও একই পরিমাণ দেয়।
জাকাত কিভাবে দারিদ্র্য কমাতে পারে
নাজিবুর রহমান বলেন, ‘সুদের অভিশাপ থেকে জাতিকে বাঁচাতে আমাদের কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। আল্লাহ তাআলা বলেছেন, যদি আমরা অভাবগ্রস্ত হই, তাহলে সুদ থেকে বের হয়ে আসতে হবে। আমরা পদক্ষ
