রাজনৈতিক সহনশীলতা
র জন ত ক সহনশ লত – রাজনৈতিক সহনশীলতা এখন অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে কারণ এটি দেশের প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোকে একে অন্যকে সম্মান করে চলার ক্ষমতা নির্ধারণ করে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল আদর্শগুলো ব্যবহার করে তাদের স্বার্থ প্রমাণ করে। নিজেদের আদর্শ প্রতি বিশ্বাস নিয়ে রাজনৈতিক নেতারা কাজ করেন কিন্তু জনগণকে একে অন্যকে মেনে নিতে হয় বিশেষ প্রচেষ্টার মাধ্যমে। রাজনৈতিক সহনশীলতা কম হওয়া দেশের সমাজে আরও বেশি বিভক্তি এবং সংঘাতের সূচনা করে।
রাজনৈতিক আদর্শের স্পর্ধা
সংস্কৃতি প্রতিদ্বন্দ্বীদের মোকাবিলা করার জন্য যুক্তি ও তর্কের প্রয়োগ অপরিহার্য। বলপ্রয়োগ করলে দেশ আরও দূরে সরে যাবে যেহেতু জনগণ নিজের নেতা বাছাই করে তাদের কাজ দেখে। এই প্রক্রিয়ায় সহনশীলতা বাড়তে হয় যাতে নেতারা আপনাদের আদর্শ ও কাজের মধ্যে সামঞ্জস্য রাখতে পারেন। রাজনৈতিক সহনশীলতার অভাব কারণে প্রতিটি পরিবর্তন ভয়াবহ পরিণত হয়ে ওঠে।
দেশের স্থিতি রক্ষার জন্য আবশ্যক পরিবর্তন
চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের পর হতে পারে যে দল সহনশীলতার অভাব দেখা দিয়েছে। মবতন্ত্র সেই যে ঘাড়ে চড়ে বসেছে আর নামতে চাইছে না। ফলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করাও কঠিন হয়ে পড়েছে। অতীত থেকে চলে আসা অন্যকে শাস্তি দেওয়ার প্রতিটি পদক্ষেপ সামাজিক সংঘাতে পরিণত হচ্ছে। এখন যখন জনগণ একে অন্যকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছনা করার আশঙ্কা থাকে তখন সামাজিক জীবনযাপনের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এই অবস্থার প্রতিটি পরিণাম ভয়াবহ হতে বাধ্য।
সহনশীলতার বিপর্যয় ও প্রতিক্রিয়া
রাজনৈতিক সহনশীলতার অভাব দেশে এতটাই বিপর্যয় সৃষ্টি করছে যে কোন দল নিজের আদর্শ প্রমাণ করার জন্য শক্তি ও জনগণের প্রতি অকারণ হামলা করছে। এই পরিস্থিতিতে নে
