মড় র উপর খ ড় র ঘা
মড় র উপর খ ড় র ঘ – বর্তমান সরকারের দ্বারা প্রকাশিত বিদ্যুত দাম বৃদ্ধি প্রস্তাবটি নতুন ধরনের আক্রমণ হিসেবে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। এই ঘোষণার ফলে সাধারণ মানুষের জীবনযাপন আরও কঠিন হতে চলেছে। দুই বছরের মধ্যে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হবে না এ বিষয়ে সরকার আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, কিন্তু ক্ষমতা গ্রহণের তিন মাস পর সে কথা অসাময়িক হয়ে গেল। এই পরিবর্তনে মড় র উপর খ ড় র ঘার সৃষ্টি হয়েছে।
প্রস্তাবের পটভূমি
গত কয়েক মাসে জ্বালানি তেলের দাম দুই দফা বৃদ্ধি পেয়েছে। তার আগে ইরানের আক্রমণের পরপরই সিলিন্ডার গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি ঘটে। এখন বিদ্যুত খাতের দাম বাড়ানো হয়েছে যেন মড় র উপর খ ড় র ঘা হয়ে গেছে। সরকার প্রতিবছর কোনো কিছুর মূল্য বৃদ্ধি ছিল না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, কিন্তু এই সিদ্ধান্ত আরও বেশি ক্ষতি করেছে।
বিদ্যুৎ খাতে দুর্নীতি ও অপচয়ের কারণে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। এই খাতে প্রতি বছর হাজার হাজার কোটি টাকা দেউলিয়া হয়ে যাচ্ছে। মড় র উপর খ ড় র ঘা তৈরি হওয়ার পরপরই বিদ্যুৎ বিতরণ করার ব্যবস্থা স্থির হয়েছে। এটি নতুন ধরনের অর্থনীতি ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
“বিদ্যুৎ না দিলে মড় র উপর খ ড় র ঘা হবে না”
পরিস্থিতি এবং আর্থিক প্রভাব
বিদ্যুৎ খাতে সব ধরনের দুর্নীতি ও অপচয় দূর করতে পারত। এর জন্য সরাসরি কোটি টাকার অর্থ নিষ্কাশন করা যেত। কিন্তু সরকারের পক্ষে মড় র উপর খ ড় র ঘার কারণে দুর্নীতি দূর করা সম্ভব হয়নি। এটি সাধারণ মানুষের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধির অজুহাতে মড় র উপর খ ড় র ঘা তৈরি হয়েছে। বর্তমান সরকার যদি প্রতিবছর জ্বালানি খাতের সংকট সমাধান করত, তাহলে বিদ্যুত খাত টেকসই হত। কিন্তু এই বৃদ্ধি বেশি আর্থিক বোঝাই বাড়ানো হয়েছে।
১১ জুন আবার জাতীয় বাজেট পেশ হবে। মড় র উপর খ ড় র ঘা বিষয়টি ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে বৈঠক ছাড়া নিশ্চিত হয়েছে। এই দাম বৃদ্ধি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধিতে পিষ্ট করবে। কৃষি ও শিল্প খাতে এই পরিবর্তন প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করবে।
