মে মাসে মব সহিংসতার সংখ্যা সর্বোচ্চ: এমএসএফ
ম ম স মব সহ সত য় – বাংলাদেশে মব সহিংসতার ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা এক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ হয়েছে। মে মাসে মব সহিংসতার ফলে কমপক্ষে ৩২ জন মানুষ হত্যা হয়েছে, যা গত ছয় মাসের মধ্যে সর্বাধিক। এ তথ্য মানবাধিকার সংগঠন মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের (এমএসএফ) মে মাসের ‘মানবাধিকার পরিস্থিতি মনিটরিং প্রতিবেদনে’ প্রকাশিত হয়েছে।
আজ রোববার একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়। এমএসএফ তাদের হিসাব অনুযায়ী, ডিসেম্বর ২০২৫ এবং মার্চ পর্যন্ত নোটিশ দেওয়া হয়েছে যে মব সহিংসতার সংখ্যা ক্রমে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী থেকে বিপদে পড়েছেন কিছু ব্যক্তি, যা রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্বের দুর্বলতা প্রকাশ করে।
মে মাসে বিএসএফ হাতে চার বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে তিনটি গুলিতে এবং একটি নির্যাতনে মৃত্যু হয়েছে। সামাজিক বিরোধ ক্রমে সহিংস রূপ নিচ্ছে এবং আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তে জেলে ও অজ্ঞাতনামা নারীর মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। সীমান্তসংশ্লিষ্ট এলাকায় দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে এক যুবক মারা যায়, ফলে মোট সাত জন নিহত হয়েছে।
সম্প্রতি মিয়ানমার সীমান্তে দুটি স্থলমাইন বিস্ফোরণে তিন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। এমএসএফ তাদের বিশ্লেষণে মার্চ ও এপ্রিল মাসে মব সহিংসতার সংখ্যা ছিল তিন ও চার জন যথাক্রমে। পরিস্থিতি নিরীক্ষণে একটি আহত হয়েছেন মে মাসে কিছু ক্ষেত্রে উন্নতি হয়েছে, কিন্তু নারী ও শিশুদের উপর সহিংসতার ঘটনার হার বৃদ্ধি পেয়েছে। এপ্রিল মাসে প্রাণ হারান ৩ জন এবং আহত ৩০৩ জন, মেতে নিহত ৩২ জন এবং আহত ৩২৬ জন হয়েছে। ধর্ষণের ঘটনা এ মাসে ৭০টি হয়েছে, যা আগের মাসে ৫৪টি ছিল।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে:
মে মাসে কিছু ক্ষেত্রে উন্নতি ঘটলেও গুরুত্বপূর্ণ সূচকগুলোতে উদ্বেগজনক অবনতি দেখা গেছে। সহিংসতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বিচারবহির্ভূত প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে।
এমএসএফের তথ্য অনুযায়ী, মে মাসে ৫৩টি অজ্ঞাতনামা মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। আর কারা হেফাজতে মৃত্যু হয়েছে সাতজনের। যার মধ্যে বিশেষ করে ধর্ষণ সহ নারী ও শিশুদের উপর আক্রমণের ঘটনার হার বৃদ্ধি পেয়েছে। এপ্রিল মাসে এ ধরনের ঘটনা দুটি হয়েছে।
