প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা: পুরোনো প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করা যাবে না
প র ন ক ন প রত – প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং পুরোনো প্রতিষ্ঠানের নামকরণ সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সামনে একটি প্রস্তাব পেশ করা হয়েছে। এই প্রস্তাবে কেরানীগঞ্জে অবস্থিত কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের নামকরণের পরিবর্তে খালেদা জিয়ার নাম ব্যবহার করার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রী এই পরিবর্তন অনুমোদন করেননি। তিনি বলেন যে পুরোনো প্রতিষ্ঠানগুলির নামকরণ প্রক্রিয়া পরিবর্তন করা যাবে না। নতুন প্রতিষ্ঠানের নাম প্রস্তাব প্রাপ্ত হলে সেগুলি স্বাধীনভাবে বিবেচনা করা হবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্দেশ দেন, ‘পুরোনো কোন প্রতিষ্ঠানের নামকরণ পরিবর্তন করা যাবে না। সেগুলি তাদের বর্তমান সংস্থাগুলি অপরিবর্তিত রাখবে।’
প্রস্তাবের তথ্য ও প্রক্রিয়া
সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের বর্তমান দাবি অনুসারে প্রস্তাবটি অনুমোদন পেতে পারে না। প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠানের বর্তমান নামকরণ রক্ষা করার আহ্বান জানানো হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তারা বিশ্বাস করেন যে বর্তমান পরিবেশ অবিচ্ছেদ্য প্রতিষ্ঠানগুলির জন্য সংস্থাগুলি নতুন নাম প্রস্তাব বিবেচনা করতে পারে।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় কারিগরি কেন্দ্রের নতুন নামকরণের প্রস্তাব প্রাপ্ত করেছিল। প্রতিষ্ঠানটি অতীতে কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল। কিন্তু এই প্রস্তাবে খালেদা জিয়ার নামে পুনঃনামকরণের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। এই পরিবর্তন স্বীকৃত হলে প্রতিষ্ঠানটি বিশেষ করে দুটি প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পর্কিত হতে পারে।
মশকনিধন প্রকল্প ও প্রস্তাবের প্রতিক্রিয়া
এই প্রস্তাব প্রাকৃতিক ক্ষেত্রে মশকনিধন প্রকল্প পর্যবেক্ষণের জন্য প্রস্তাব হিসেবে পাঠানো হয়েছিল। কেরানীগঞ্জ কারিগরি কেন্দ্র দেশের কয়েকটি জেলার মশক নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের একটি কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। এই পরিবর্তন স্বীকৃত হলে খালেদা জিয়ার নাম দ্বারা কারিগরি কেন্দ্রটি পুনঃনামকরণ করা হতে পারে। তবে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বাস করেন যে মশক নিয়ন্ত্রণের জন্য ফ্লোরিডা সফরে যাওয়ার দরকার নেই।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘দেশে যেকোন ডোবার পাশে দুই-তিন ঘন্টা অবস্থান করলে মশকনিধনের জন্য বিশেষ উদ্ভাবনী পদ্ধতি বের করা সম্ভব হবে।’
প্রতিষ্ঠানের বর্তমান নামকরণের বিষয়টি বিশেষ করে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রস্তাব দেওয়া হয়। এই প্রস্তাবে বিশেষ করে দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানগুলির সাথে খালেদা জিয়ার না�
