দুর্নীতির মামলা: দুবাই পুলিশ বেনজীর আহমেদকে বাংলাদেশে ফেরত দিতে রাজি
দ র ন ত র ম মল – সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে গ্রেপ্তার বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদকে দেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে নীতিগতভাবে সম্মতি দিয়েছে দুবাই পুলিশ। তবে তাঁকে কোন আইনি প্রক্রিয়ায় হস্তান্তর করা হবে তা সম্পর্কে তিনি চারটি বিষয়ে ব্যাখ্যা চাইছেন।
বাংলাদেশ সরকার দুবাইয়ে পৌঁছেছে দুদক দ্বারা প্রস্তুত করা প্রায় ১৪৪ পৃষ্ঠার নথি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও দুদকের সূত্র অনুযায়ী, গত পাঁচ দিন আগে দুবাই পুলিশ এই নথি পেয়েছে। এর মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, এটি একটি ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে গণ্য করা যায়।
“দুবাই পুলিশের চিঠি পাওয়ার পর থেকেই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুতের কাজ শুরু করেছি। আশা করছি, দ্রুত জবাব পাঠানো যাবে এবং তাঁকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হব।”
বেনজীর আহমেদের গ্রেপ্তারের তথ্য গত ১৪ জুন প্রথম জাতীয় সংসদে প্রকাশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি ঘোষণা করেন, ১২ জুন ইউএইর ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো আবুধাবি থেকে বাংলাদেশ সরকারকে জানিয়েছিল যে দুর্নীতির মামলায় তিনি দুবাইয়ে আটক করা হয়েছে।
পরবর্তী দিনগুলোতে বাংলাদেশ সরকার ইন্টারপোলের মাধ্যমে প্রত্যর্পণের আনুষ্ঠানিক আবেদন জানায়। দুদক দ্বারা প্রস্তুত করা নথি আরবি ভাষায় অনুবাদ করে কূটনৈতিক মাধ্যমে দুবাইয়ে পাঠানো হয়। এতে তাঁর বিরুদ্ধে দেশে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা, মামলার তথ্য এবং প্রত্যর্পণের জন্য প্রয়োজনীয় দলিলগুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
বেনজীর আহমেদ দুর্নীতি, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, অর্থ পাচার, জালিয়াতি সহ ছয়টি মামলার মুখে পড়েছেন। এর মধ্যে সাক্ষ্য গ্রহণ চলছে একটি মামলায়। দেশ ছেড়ে যাওয়ার পর থেকে তাঁর অবস্থান সম্পর্কে তথ্য না পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা সংশ্লিষ্ট সংস্থা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানতে চায়। সেটি হলো দুর্নীতির মামলার তদন্ত ও প্রত্যর্পণের নথিপত্র সম্পর্কে।
দুবাই পুলিশের পক্ষ থেকে এসব প্রশ্ন আন্তর্জাতিক প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়ার স্বাভাবিক অংশ হিসেবে গণ্য করা হয়। বেনজীর আহমেদের মামলার তথ্�
