National

টার্মিনালে যাতায়াতই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ

টার্মিনালে যাতায়াতই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ

ট র ম ন ল য ত – রাজধানীতে অবস্থিত চারটি আন্তজেলা বাস টার্মিনাল সরানোর পরিকল্পনা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এ জন্য জমি খুঁজছে সরকার। বর্তমান সংস্থাগুলো দ্বারা বাস চলাচল করে নানান জেলার যাত্রীদের পরিবহন করা হয়। টার্মিনালগুলো শহরের ভিতরে থাকায় সড়ক ব্যবস্থাপনা ব্যাহত হচ্ছে। গাবতলী, মহাখালী, সায়েদাবাদ এবং ফুলবাড়িয়া টার্মিনালগুলো কয়েক হাজার যাত্রীকে পরিবহন করে।

সরকারের বিশ্বাস, টার্মিনাল সরানো হলে রাজধানীর যানজট কমবে এবং সড়ক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরবে। তবে পরিবহন বিশেষজ্ঞদের মতে, দূরপাল্লার যাত্রীদের টার্মিনালে পৌঁছানো এবং বাসায় ফেরার পরিকল্পনা ছাড়া সরানো হলে নতুন অসুবিধা তৈরি হতে পারে। কারণ, বর্তমানে নগরে গণপরিবহন অপ্রতুল এবং জটিল। টার্মিনাল সরানো হলে যাত্রীদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না থাকায় শহরের সড়কে চাহিদা কয়েক গুণ বাড়বে।

সড়ক, রেলপথ ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, আগামী দুই থেকে আড়াই বছরের মধ্যে ঢাকার বাস টার্মিনাল ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে। এতে নগরীর যানজট কমবে এবং পরিবহন ব্যবস্থাপনা আরও শৃঙ্খল হবে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনার পর এই বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। স্থায়ী টার্মিনাল নির্মাণ শেষ হওয়া পর্যন্ত অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা হিসেবে রাজধানীর বাইরে কয়েকটি অস্থায়ী ডিপো স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। মহাখালী টার্মিনাল পূর্বাচলে স্থানান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এটি ডিএনসিসি বাস্তবায়ন করছে না, এটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব রাজউকের।

ফুলবাড়িয়া-গুলিস্তানে রয়েছে নগরে চলাচল করা বাসস্ট্যান্ড। এতে যানজট ও পরিবেশদূষণের সাথে সড়ক ব্যবস্থাপনায় অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে। টার্মিনালসংলগ্ন এলাকায় সড়কের পাশে অসংখ্য কাউন্টার গড়ে উঠেছে। এসব কাউন্টারের সামনে দীর্ঘক্ষণ বাস দাঁড় করিয়ে যাত্রী তোলার কারণে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

যাত্রী পরিবহনের বিকল্প ব্যবস্থা নিয়ে সরকারি প

Leave a Comment