৭৩ বেসরকারি মাদক নিরাময় কেন্দ্র পাচ্ছে ১ কোটি ১০ লাখ টাকা অনুদান
৭৩ ব সরক র ম দক ন – বর্তমানে দেশে মাদকাসক্ত মানুষের সংখ্যা প্রায় ৮৩ লাখ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এ সংক্রান্ত তথ্য মূলত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) সম্প্রতি পরিচিতি দেওয়া সমীক্ষায় প্রকাশিত। বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশে মাদকাসক্তি বৃদ্ধির সম্মুখীন হওয়ায় বিশেষায়িত চিকিৎসা ব্যবস্থা ও পুনর্বাসন কেন্দ্রগুলির প্রসার জরুরি। তার উপর সরকার ১ কোটি ১০ লাখ টাকা অনুদান প্রদান করছে এবং তা বিভিন্ন বেসরকারি কেন্দ্রগুলির মধ্যে বিতরণ করা হবে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আয়োজিত অনুষ্ঠানে বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বেসরকারি মাদকাসক্তি নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্রগুলির প্রতিনিধিদের হাতে অনুদানের চেক তুলে দেন। এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এ অনুদান বিশেষায়িত চিকিৎসা ব্যবস্থা উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সম্পদ হিসেবে পরিগণিত হয়েছে।
অনুদান পাওয়ার জন্য বেসরকারি কেন্দ্রগুলি আবেদন করেছে। পরবর্তী ছয়টি প্রমাণ সূচকের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করে ৭৩টি কেন্দ্রকে নির্বাচন করা হয়েছে। এগুলোতে কমপক্ষে ৭০ নম্বর বা তার বেশি প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো অন্তর্ভুক্ত। অনুদান প্রদানের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সরকার প্রতি বছর আর্থিক সমর্থন প্রদান করে।
বর্তমানে দেশে বেসরকারি কেন্দ্রগুলো মোট ৩৮৭টি। তবে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ঢাকার কেন্দ্রীয় মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র ও চারটি বিভাগীয় শহরের কেন্দ্রগুলো মোট ১৯৯ জন রোগী চিকিৎসা পেয়ে থাকে। গৃহীত তথ্য অনুযায়ী, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে ৫০টি ও পাবনা মানসিক হাসপাতালে ৩০টি শয্যা জন্য বরাদ্দ রয়েছে। সব মিলিয়ে সরকারি পর্যায়ে মাত্র ২৭৯ জন রোগী ভর্তি রাখা সম্ভব।
সরকার ঢাকায় ২৫০ শয্যার এবং দেশের বাকি সাত বিভাগে ২০০ শয্যার আরও সাতটি পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে বেসরকারি কেন্দ্রগুলির সেবা মান উন্নয়ন ও কার্যক্রম আরও গতিশীল করা হবে। কর্মকর্তারা মন্তব্য করেন যে অনুদান পরিমাণ সুযোগ থাকলে আরও বাড়ানো যেতে পারে। তিনি বলেন, অনুদান পাওয়া কেন্দ্রগুলো সাধারণত উন্নত মানের। আর্থিকভাবে দুর্বল প্রতিষ্ঠানগুলোকে অনুদানের আওতায় আনলে সেবার মান উন্নত হবে। উপর নির্বাচিত কেন্দ্রগুলো পুরস্কার পেতে পারে যদি তারা ভালো পারফরম্যান্স করে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ফয়সল হা�
