৩ দিনের সফরে ঢাকা পৌঁছেছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান
৩ দ ন র সফর ঢ ক – তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান ঢাকা পৌঁছেছেন তাঁর ৩ দিনের সফরের প্রথম দিন। এই সফরে তিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক সম্পর্ক প্রসার করার লক্ষ্য নিয়ে যাচ্ছেন। রাতে তাঁকে স্বাগত জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ও প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। আগামী দিনগুলোতে ফিদান মন্ত্রী একটি কর্মসূচি অনুসরণ করবেন, যার মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশের সাথে তুরস্কের মধ্যে বাণিজ্য ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে বৈঠক এবং সমঝোতা স্মারক সই করার প্রস্তাব। সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের সংক্ষিপ্ত বিবরণ সহ বাংলাদেশ এবং তুরস্কের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা হবে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাংস্কৃতিক বিষয়ে আলোচনা করবেন
৩ দিনের সফরের প্রথম দিনে ফিদান মন্ত্রী বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান এবং মানবাধিকার সম্পর্কে আলোচনা করবেন। তিনি সেদিন রাজধানীর একটি হোটেলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করবেন, যেখানে দুই দেশের মধ্যে আরও গুরুতর সমঝোতা স্মারক সই করার পরিকল্পনা রয়েছে। বাংলাদেশ এবং তুরস্কের সাংস্কৃতিক সম্পর্ক বিস্তার করার জন্য দুই দেশের পক্ষ থেকে বিভিন্ন প্রকল্প অনুমোদনের কথা আলোচনা করা হবে। সে সময় প্রতিক্রিয়া হিসেবে বাংলাদেশ সরকার তুরস্কের প্রতি গুরুত্ব প্রকাশ করবেন এবং যোগাযোগের মাধ্যমে আরও সংক্ষিপ্ত বিষয়গুলি আলোচনা করা হবে।
রোহিঙ্গাদের সার্বিক বিষয় পরিদর্শন করবেন
ফিদান মন্ত্রী আগামীকাল শুক্রবার কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের সার্বিক বিষয় পরিদর্শনে যাওয়ার কথা রয়েছে। এ সফরে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন, যেখানে পররাষ্ট্র মন্ত্রী এবং রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠকের কথা আছে। তুরস্কের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গা মুক্তি সংক্রান্ত বিষয়ে সহযোগিতা বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হবে, যার ফলে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে সামরিক ও আঞ্চলিক সম্পর্ক বিস্তার করা যেতে পারে। এছাড়াও বৈঠকে পররাষ্ট্র মন্ত্রী মানবাধিকার ও প্রাকৃতিক সম্পদের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবেন।
বাংলাদেশে পররাষ্ট্র সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ
তুরস্ক এবং বাংলাদেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক বিস্তারের উদ্দেশ্যে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই সফর করছেন। তাঁর আগমনের মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে তুরস্ক পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানের মধ্যে যে সম্পর্ক স্থাপন করেছিল, তার প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ বাংলাদেশের সঙ্গে তুরস্কের সম্পর্ক বিস্তার করা হবে। বাংলাদেশ
