প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেনাসদস্যদের সঙ্গে ঈদের প্রীতিভোজে অংশগ্রহণ
স ন সদস যদ র সঙ গ – বৃহস্পতিবার ঢাকা সেনানিবাসে পবিত্র ঈদুল আজহার উপলক্ষে সেনাসদস্যদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনন্দ ভোজ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রসঙ্গ উল্লেখ করেছে।
প্রধানমন্ত্রী কর্মসূচির অংশগ্রহণে উপস্থিত সৈনিক কর্মকর্তাদের অভিনন্দন
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ শাহীনুল হক প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামসুল ইসলাম, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান, ৪৬ স্বতন্ত্র পদাতিক ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ আশিকুর রহমান এবং ২৫ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল মো. শফিকুল ইসলাম।
প্রধানমন্ত্রী পরিদর্শন ও প্রীতিভোজের অনুষ্ঠান
প্রীতিভোজ অনুষ্ঠানে সেনাসদস্যদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী সংক্ষিপ্ত বক্তব্য প্রদান করেন। বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, বহু বছর পর তাঁর পুরোনো ও স্মৃতিবিজড়িত সেনানিবাস এলাকায় উপস্থিত হওয়া তাঁকে অত্যন্ত আনন্দিত ও আবেগতাড়িত করেছে। সেনাসদস্যদের সাথে এই পরিবেশে উপস্থিত হওয়া তাঁর জন্য স্মরণীয় বলে জানান হয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্ব, দায়িত্ববোধ এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় দেশের যেকোনো প্রয়োজনে জনগণের পাশে দাঁড়ানোর ঐতিহ্য আমাকে গর্বিত করেছে। সেনাবাহিনী দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের রক্ষায় সবসময় রাষ্ট্রের আস্থার প্রতীক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছে।”
প্রীতিভোজের পর প্রধানমন্ত্রী ইউনিটের সৈনিকদের লাইন পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে তিনি ইউনিট প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন এবং পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন। তারপর অফিসার, জেসিও ও অন্যান্য পদবির সৈনিকদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন।
কর্মসূচির শেষ পর্যায়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সেনাসদস্যদের সঙ্গে জোহরের নামাজ আদায় করেন। এই সময় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মনোবল বৃদ্ধি করেছে বলে মনে করা হয়। বিশেষ করে ঈদের দিনে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নেতৃত্বের সরাসরি উপস্থিতি সেনাসদস্যদের পেশাগত অঙ্গীকার ও দেশসেবার প্রেরণাকে আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
