বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে গ্রীষ্মকালে বিশেষ করে তুমুল তাপ প্রসঙ্গে
র কর ড ১৭২০০ ম গ ওয – বুধবার (২০ মে) রাতে দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সর্বোচ্চ রেকর্ড স্থাপিত হয়েছে, যার পরিমাণ ১৭ হাজার ২০০ মেগাওয়াট। পাওয়ার গ্রিড থেকে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ উৎপাদন ছিল ১৬ হাজার ৭৯৪ মেগাওয়াট, যা ২০২৫ সালের ২৩ জুলাইয়ে নথিভুক্ত হয়েছিল। কিন্তু আগ্রহের সাথে দেশের বিদ্যুৎ ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে, ফলে এ সময়েও লোডশেডিং বাড়তি দেখা দিয়েছে। পিডিবি বর্তমান মৌসুমে সর্বোচ্চ ১৭ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট চাহিদা প্রাক্কলন করেছে, যাকে বাস্তবতা ছাপিয়ে গেছে।
শীতলীকরণ যন্ত্রের ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে সন্ধ্যা থেকে বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে
খাতসংশলিষ্টদের মতে, সন্ধ্যার পর দেশে বিদ্যুৎ ব্যবহারের সর্বোচ্চ চাপ হয়। গরমের মৌসুমে বাসাবাড়ির শীতলীকরণ যন্ত্রগুলি বিশেষ ভাবে চাহিদা বাড়িয়েছে। বিদ্যুৎ ব্যবহারের বড় অংশ বাসাবাড়িতে ঘটে, যেখানে প্রায় ৫০ থেকে ৫৫ শতাংশ বিদ্যুৎ ব্যবহৃত হয়। এটি ফ্যান, লাইট এবং অন্যান্য কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়।
সন্ধ্যার পর থেকে দেশের বিদ্যুৎ ব্যবহারে সর্বোচ্চ চাপ তৈরি হয়।
অন্যান্য খাতের বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ
সামাজিক খাত থেকে মোট ব্যবহারের প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ আসে, যেখানে তৈরি পোশাক শিল্প, টেক্সটাইল এবং ভারী শিল্প অন্যতম। বাণিজ্যিক খাতে যেমন মার্কেট, অফিস ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় বিদ্যুৎ ব্যবহার প্রায় ১০ শতাংশ। বাকি অংশ কৃষি ও সেচ কার্যক্রম, রাস্তাঘাটের আলোকসজ্জা এবং জনসেবামূলক ব্যবহারে ঘটে।
বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা বর্তমানে প্রায় ২৯ হাজার মেগাওয়াটের বেশি
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড অনুযায়ী, দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বর্তমানে ২৯ হাজার মেগাওয়াটের বেশি। বাস্তব উৎপাদন জ্বালানি সরবরাহ, কেন্দ্রগুল
