মানবাধিকার কমিশনের খসড়ায় সরকারের নিয়ন্ত্রণ বাড়বে, অভিযোগ টিআইবির
টিআইবির ভূমিকা ও প্রতিবেদন
ম নব ধ ক র কম শন – ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন ২০২৬-এর খসড়াকে কেন্দ্র করে গভীর অসন্তুলন ও আশঙ্কা প্রকাশ করেছে। সংস্থাটি আলোচনা করেছে যে খসড়াতে কমিশনকে আবার সরকার বা বাহিনীর হাতে সুপারিশ দেওয়ার জন্য পরিবর্তিত করা হয়েছে। এটি মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্তে কমিশনের ক্ষমতা হ্রাস করতে পারে।
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “খসড়ায় কমিশনকে আবার সরকার বা বাহিনীর প্রধানের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে নিয়ন্ত্রিত করা হয়েছে। এ ফলে বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্তে কঠিনতা ছাড়বে না।”
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তে সমস্যা
বিশেষ করে গত ২০২৫ সালে অন্তর্বর্তী সরকার জারি করেছিল একটি অধ্যাদেশ যেখানে কমিশনকে গুম বা খুনসহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ সরাসরি তদন্ত করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নতুন আইনের খসড়ায় এই ক্ষমতা আবার সরকার বা বাহিনীর নির্ভরতা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
২০০৯ সালে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইনের দুর্বলতা কারণে কমিশন আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে সুরক্ষা পায়নি। নতুন খসড়ায় সেই ধরনের সীমাবদ্ধতা পুনরায় ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। সংস্থাটি বলছে, কমিশন সরকারি নিয়ন্ত্রণাধীন হয়ে গেলে তার সুরক্ষার দাবি হবে না।
নিয়োগ প্রক্রিয়া ও স্পষ্টতা কমিশনের ক্ষেত্রে
খসড়ায় কমিশনার নিয়োগের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে টিআইবি। স্পিকার, আইনমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সরকারদলীয় সংসদ সদস্যকে বাছাই কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এতে কমিশন আবার সরকার বা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্ত হবে না।
গত ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি ক্ষমতা দখল করার পর অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশ বাতিল করা হয়েছে। কমিশনের আগের আইনে সরকারের �
