পল্লবীতে শিশু হত্যা নিয়ে কোয়ালিশনের উদ্বেগ ও দাবি
পল লব র শ শ হত য – বাংলাদেশে শিশুদের প্রতি ধর্ষণ, যৌন সহিংসতা ও হত্যার দুর্বলতা বৃদ্ধির পরিস্থিতিতে শিশু অধিকার সংগঠনগুলি সামগ্রিকভাবে গভীর আশঙ্কা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তাদের অভিযোগ, সভ্য সমাজের জন্য শিশু ধর্ষণের দুর্ঘটনা বিশেষ লজ্জাজনক। এ ঘটনা আন্তর্জাতিক শিশু অধিকার সনদের প্রতি গুরুতর লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।
সংখ্যার সঙ্গে একটি বিবৃতি
আসক কর্তৃক প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমান বছরের জানুয়ারি থেকে বৈশ্বিক ভাবে শিশুদের প্রতি ধর্ষণ ও যৌন হয়রানি বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশে কমপক্ষে ১১৮ জন শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ছাড়া আরও ৪৬ জন শিশু ধর্ষণের চেষ্টার শিকার হয়েছে। বিপদগুলির পরিণতিতে কমপক্ষে ১৭ জন শিশু মৃত্যুবরণ করেছে।
“শিশুদের নিরাপত্তা কোথাও নিশ্চিত হচ্ছে না, যা সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি গুরুতর উদ্বেগের বিষয়।”
সম্প্রতি ঘটনার প্রতিফলন
কোয়ালিশন আরও উল্লেখ করেছে যে, কুমিল্লার মুরাদনগরে এক আট বছর বয়সী শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ভোলার দৌলতখানে এক বারো বছর বয়সী শিশুকে গণধর্ষণের আয়োজন করা হয়েছে। ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে শিশু ইমনের নির্মম মৃত্যু সাম্প্রতিক অবস্থার স্পষ্ট প্রতিফলন।
দাবি ও প্রতিক্রিয়া
সংগঠনটি আবেদন করেছে শিশুদের প্রতি সহিংসতার দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা, জনগণের নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রের আস্থা ফিরিয়ে আনা। তাদের আহ্বান ছিল পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের সমন্বিত প্রচেষ্টা চালু করা। এছাড়া পাঠ্যসূচিতে শিশু অধিকার ও আত্মরক্ষামূলক শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা, অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং ইন্টারনেটে শিশুদের নিরাপদ ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে শিশু নির্যাতন ও হত্যার মামলাগুলি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের আওতায় তুলে ধরা প্রয়োজন। এটি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেবে। মূল অভিযুক্ত ও সহযোগীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করায় সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ধন্যবাদ জানিয়ে কোয়ালিশন বলেছে সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া মাধ্যমে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা আবশ্যক।
এছাড়া ভুক্তভোগী পরিবারগুলির দীর্ঘমেয়াদি মানসিক ও স
