National

জীববৈচিত্র্য ধ্বংসে বাংলাদেশের ঋণমান কমতে পারে ৬ ধাপ, বাড়তে পারে ঋণের বোঝা: গবেষণা

জীববৈচিত্র্য ধ্বংস কমাতে পারে ঋণের বোঝা: গবেষণায় আভাস

জ বব চ ত র য ধ – বাংলাদেশসহ বহু দেশ জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের প্রতি অবহেলা করছে বলে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক ঝুঁকি বৃদ্ধি পেতে পারে। গবেষণা অনুসারে, বৈশ্বিক জীববৈচিত্র্য ক্ষয় কারণে আর্থিক বাজারের সংস্থাগুলো ঋণমান নির্ধারণ করতে পরিবেশগত বিপর্যয়ের প্রতি অগ্রাহ্য করছে। এতে বিশ্বব্যাপী প্রায় ৮৩ ট্রিলিয়ন ডলারের সম্পদের মূল্যায়নে বড় ভুল সৃষ্টি হতে পারে।

জীববৈচিত্র্য ধ্বংস করে ঋণমান কমে: কারণগুলো কী?

নতুন গবেষণায় ব্যাপারটি সার্বভৌম ঋণমান নির্ধারণের প্রক্রিয়ায় পরিবেশগত অবক্ষয় বিবেচনায় নেয়া হয় না। জীববৈচিত্র্য ক্ষয় বৃদ্ধি করলে সংস্থাগুলোর আর্থিক সক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। বিশেষত, বন্য পরাগবাহক প্রাণী, সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ এবং ক্রান্তীয় বনাঞ্চলের আংশিক বিনষ্ট হওয়া সার্বভৌম ঋণমানে আর্থিক অভিঘাত বৃদ্ধি করবে।

গবেষণার সাথে জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের প্রভাব দেখা গেছে বাংলাদেশের ঋণমান প্রতি বছর চার থেকে ছয় ধাপ কমে যেতে পারে। এতে সরকার ঋণ গ্রহণ খরচ বৃদ্ধি পেতে পারে, যা অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করে। সাথে ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া একই আশঙ্কার মুখে পড়তে পারে।

একটি মূল্যবান তথ্য জীববৈচিত্র্য ধ্বংস দ্বারা বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক উৎপাদন কমে যেতে পারে। গবেষণার মতে বছরে প্রায় দুই ট্রিলিয়ন ডলারের আর্থিক ক্ষতি হতে পারে। এছাড়াও ভারত এবং চীনের ঋণ সুদ পরিশোধের খরচ বৃদ্ধি পেতে পারে।

সাসেক্স বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতিবিদ ম্যাথিউ আগারওয়ালা বলেন, “আর্থিক মডেলগুলো পরিবেশগত ঝুঁকি অনুমানের সাথে এক স্তরে চলছে। জীববৈচিত্র্য ক্ষয় আর্থিক সক্ষমতা কমায় এবং ঋণ সুদ পরিশোধের ব্যয় বৃদ্ধি করে।”

বিশ্বব্যাপী এক হাজার ৯৬০টি দেশের বৈশ্বিক জীববৈচিত্র্য কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে তাদের বৈদেশিক উন্নয়ন সহায়তার আর্থিক উৎসগুলো বিপন্ন হতে পারে। গবেষণায় বলা হয়েছে, সার্বভৌম ঋণমান সংশোধন করে বাস্তুতন্ত্রগুলোর অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করা জরুরি।

জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের অবক্ষয় বিবেচনা করা হলে সার্বভৌম ঋণমান সংশোধিত হতে পারে। গবেষকদের মতে এতে সংস্থাগুলো এখন আরও বাস্তব করে কাজ করতে পারবে। সাথে জীববৈচ

Leave a Comment