National

ইরান-কোরিয়ার মতো নিজস্ব চলচ্চিত্র ভাষা তৈরিতে চলচ্চিত্র আর্কাইভ সাহায্য করতে পারে: তথ্য উপদেষ্টা

ফিল্ম আর্কাইভের ভূমিকা সম্পর্কে উপদেষ্টার মন্তব্য

ইর ন ক র য় র মত – প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেন যে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ স্বাধীনতা পদক লাভের জন্য সম্ভবপর হতে পারে। এ বিষয়ে আগাগোঁ সভার মধ্যে তিনি ইরান এবং কোরিয়ার স্বতন্ত্র চলচ্চিত্র ভাষার উদাহরণ দেন।

সংস্কৃতির সংরক্ষণ ও বিশ্ব জয়ের পথ

উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান উল্লেখ করেন যে ইরানে খুব সামান্য বাজেটে স্বতন্ত্র চলচ্চিত্র ভাষা তৈরি করে জাতিগত সংস্কৃতি পৃথিবীর সামনে প্রকাশ করেছিল ইরানিয়ান নিউ ওয়েভের সদস্যরা। তিনি বলেন, ইরানে স্ক্রিপ্টিং থেকে শুরু করে শেষ পর্যন্ত বিধিনিষেধের সংখ্যা খুবই বেশি। কিন্তু সেই সীমাবদ্ধতা থেকে তারা স্বীয় ঐতিহ্য সংরক্ষণের মাধ্যমে বিশ্ব জয় করেছিল।

“নিজস্ব ঐতিহ্যের দিকে তাকিয়ে একটি নতুন চলচ্চিত্র ভাষা তৈরি করা সম্ভব। সেটা কোট-আনকোট নিয়ন্ত্রণের মধ্যে হোক বা বাজেট খুবই সামান্য হোক বা নয়, বাজেট বাড়ানো আবশ্যক হবে এবং প্রধানমন্ত্রী সেই ক্ষেত্রগুলোতে আরও ব্যাপক পরিকল্পনা প্রস্তাব করছেন।”

উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান আরও বলেন যে তিনি আগের ডিজিদের কাছে প্রশ্ন করেন, “ফিল্ম আর্কাইভকে স্বাধীনতা পদক দিতে হবে, এই কথা কেন বলা হয়?” তিনি মন্তব্য করেন যে জনগণের কাছে এই প্রতিষ্ঠানের প্রকাশ পরিমাণ খুবই কম। তবে যদি প্রচুর সেমিনার এবং ক্যাম্পেইন করা সম্ভব হত, তাহলে সমাজের আরও বেশি সংখ্যক ব্যক্তি এই প্রতিষ্ঠানের কাজে আগ্রহী হতেন।

সরকারের আন্তরিকতা ও ভবিষ্যতের প্রস্তাব

অনুষ্ঠানে উপস্থিত তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, “বাংলাদেশে চলচ্চিত্র ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। চলচ্চিত্র জাতির সংস্কৃতি, ইতিহাস ও সমাজজীবনের প্রতিচ্ছবি হিসাবে স্বাধীনতা অর্জনের পথ প্রস্তুত করে তোলে।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে বর্তমান সরকার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে অত্যন্ত আন্তরিক। সংস্কৃতি বিষয়ক কাজ, ডিজিটালাইজেশন এবং গবেষণা ভিত্তিক প্রসারে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করছে। একটি নতুন ভাষা তৈরির ক্ষেত্রে এই প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ স্বাধীনতা লাভ করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

সংস্কৃতি সংরক্ষণের প্রস্তুতি

বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের মহাপরিচালক ম. জাভেদ ইকবাল এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা এবং বৃহৎ কর্মকর্তারা সভাপতিত্বে অংশ নেন। তাদের মতে সংস্কৃতি সংরক্ষণ এবং আধুনিক পদ্ধতিতে প্রসারের জন্য আরও উন্নয়ন প্রয়োজন।

Leave a Comment