ফিটকিরির পুনরায় জনপ্রিয়তা
ফ টক র ক আব র জ – বছরে বছরে বিউটি সমাজে নতুন আবিষ্কার হয় কিছু জিনিস। প্রাচীন আয়ুর্বেদিক উপকরণের আবার আসার কথা চলছে তরুণদের মধ্যে। এই প্রতিটি উপকরণ যে কীভাবে ব্যবহার করা হয়, তা পরিবর্তনের সাথে সাথে পরিবর্তিত হচ্ছে। চলতি বছরে ফিটকিরি বিশেষ করে ক্লিন বিউটি ধারার প্রভাবে আবার ট্রেন্ডে আসছে। অনেকের ধারণা হচ্ছে যে এটি রসায়ন মুক্ত জনপ্রিয়তা বাড়ানোর জন্য পছন্দের উপাদান।
তরুণদের মধ্যে নতুন ট্রেন্ড
অনেকে আবার স্মরণ করতে পারেন, বাল্যকালে পিঠে ঘামাচি হলে মা কিছু ক্ষেত্রে গোসলের পানিতে ফিটকিরি ব্যবহার করতেন। এতে ঘামাচি মরে যেত। শেভ করার পর ত্বকে লাগানো বা ছোটখাটো কাটা-ছেঁড়ার প্রাথমিক চিকিৎসায় এটি ব্যবহার করা হতো আগে। কিন্তু এখন এটি সারা দিন শরীরের দুর্গন্ধ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করছে।
পুরোনো উপকরণ হিসেবে ফিটকিরি
ফিটকিরি বা অ্যালাম মূলত একটি প্রাকৃতিক খনিজ লবণ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক বিউটি ইনফ্লুয়েন্সার এর গুণাগুণ নিয়ে মত দিচ্ছেন। বিভিন্ন ধরনের আফটার শেভ লোশন ও অ্যান্টিসেপটিক বাজারে আসার কারণে পুরুষদের কাছে এর গুরুত্ব কমে গেছে। কিন্তু বিভিন্ন পরিবারে এর ব্যবহার আগে থেকে কিছুটা ছিল।
চিকিৎসার সাথে সম্পর্ক
ত্বক বিশেষজ্ঞদের মতে, ফিটকিরি রয়েছে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্য। এটি দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী কিছু ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত করতে পারে। বলা ভালো, ঘাম হওয়ার স্বাভাবিক প্রক্রিয়া বজায় রেখেই দুর্গন্ধ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে ফিটকিরি।
বিভিন্ন ব্যবহারের প্রমাণ
অনেক বছর ধরে ফিটকিরি বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। শুধু ব্যক্তিগত পরিচর্যাতেই নয়, পানি পরিশোধন, কাপড় রং করা এবং বাস্তুশাস্ত্রেও এর ব্যবহার রয়েছে। প্রাচীন মিসর, গ্রিস ও রোমানে এটি সহজলভ্য উপাদান ছিল। দক্ষিণ এশিয়াতে বহ
