বিসিএস পরীক্ষা সম্পন্ন করতে বছরে একটি সিদ্ধান্ত নিল পিএসসি
ক য ড র পদ ন য় – বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষার ক্যাডার পদে নিয়োগ প্রক্রিয়াটি এখন সামান্য জটিলতা দূর করে সরাসরি চালানো হচ্ছে। একটি নতুন রোডম্যাপের মাধ্যমে বছরে শেষ হবে একটি বিসিএস পরীক্ষা। পিএসসি সূত্র থেকে জানা গেল যে, এই রোডম্যাপ অনুযায়ী ৫১তম বিসিএস পরীক্ষার কার্যক্রম চালানো হবে বিশেষ পরিকল্পনা মতো। অর্থাৎ কোনো বিশেষ পরিস্থিতি না থাকলে বিসিএস পরীক্ষার ফল ঘোষণা এবং নিয়োগের প্রক্রিয়া এক বছরের মধ্যে সম্পন্ন হবে।
বর্তমানে দুটি বিসিএস পরীক্ষার কার্যক্রম চলছে। কমিশনের নতুন পরিকল্পনার আওতায় আগামী বছর শুধু ৫১তম বিসিএস পরীক্ষার কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এটি পিএসসির ইতিহাসে প্রথমবার ঘটছে। এই পরিবর্তনের ফলে চাকরি প্রার্থীদের জন্য দীর্ঘ অপেক্ষার দুর্দশা কমে আসবে। পিএসসি সূত্র বলে, এই রোডম্যাপ অনুযায়ী সব পরীক্ষা এবং নিয়োগ সুপারিশ এক বছরের মধ্যে সম্পন্ন হবে।
গত শুক্রবার আজকের পত্রিকাকে বলেন, বর্তমান কমিশন এই নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করছে। স্বাধীনতার পর প্রথমবারের মতো বিসিএস পরীক্ষার পুরো প্রক্রিয়া একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সম্পন্ন করতে সুস্পষ্ট পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে, যা ৫০তম বিসিএস থেকে কার্যকর হয়েছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অধ্যাপক ড. মোবাশ্বের মোনেমের নেতৃত্বে এই কমিশন গঠিত হয়। তিনি বলেন, বিসিএস পরীক্ষার প্রক্রিয়া অত্যধিক দীর্ঘ হয়েছিল বিশেষ করে নিয়োগের অপেক্ষা। এখন প্রক্রিয়াটি সহজ করে তুলতে হয়েছে। পিএসসির কর্মকর্তারা জানান, ৪৭তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষা গত বৃহস্পতিবার শেষ হয়েছে। চলতি মাসেই চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা কমিশনের।
বিশেষ বিসিএস ছাড়া আগামী বছর শুধু ৫১তম বিসিএসের কার্যক্রম পরিচালনা করবে পিএসসি। এই রোডম্যাপ অনুযায়ী আগামী নভেম্বরের মধ্যে বিসিএস পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হতে পারে। তখন থেকে কোনো সাধারণ বিসিএস পরীক্ষার কার্যক্রম চালানো হবে না। ফলে বিসিএসের নিয়োগ প্রক্রিয়াটি সরাসরি সম্পন্ন হবে।
গত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে গঠিত জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন বিসিএস নিয়োগ প্রক্রিয়া এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে শেষ করার সুপারিশ করেছিল। তার প্রতিবেদনে উল্লেখ ছিল যে, সরকারি চাকরিতে নিয়োগ কার্যক্রম প্রতিষ্ঠার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময়রেখা প্রতিষ্ঠা করা উচিত। এই পরিবর্তনে চাকরিপ্রার্থীদের পরিকল্পনা করা সহজ হবে এবং ভবিষ্যতে অনিশ্চয়তা কমে আসবে।
বিশ
