উপজেলা প্রশাসনিক ভবন: দুই বছরের কাজ চার বছরেও শেষ হয়নি
উপজ ল প রশ সন ক ভবন – ত্রিশাল উপজেলার প্রশাসনিক ভবন নির্মাণ প্রকল্প চার বছর ধরে অগ্রসর হচ্ছে না। উপজেলা পরিষদ চত্বরে চার তলাবিশিষ্ট ভবন ও একতলা হলরুম নির্মাণের জন্য প্রায় চার বছর আগে প্রকল্প শুরু হয়। কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল দুই বছরে, কিন্তু মাঝপথে ঠিকাদারিপ্রতিষ্ঠান নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেয়। এ কারণে উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স ভবনের কাজ আরও দীর্ঘদিন অর্ধসমাপ্ত অবস্থায় রয়ে যায়।
প্রকল্পের নথি অনুযায়ী ঠিকাদারিপ্রতিষ্ঠান কাজের ৫২ শতাংশ সম্পন্ন করেছিল এবং কার্যাদেশ অনুযায়ী কাজ শেষ হওয়ার সময় ছিল ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত। তবে ২০২৪ সালের মার্চ পর্যন্ত সেই প্রতিষ্ঠান প্রায় ৩ কোটি ১৪ লাখ টাকা বিল উত্তোলন করে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ওই প্রতিষ্ঠান আর কাজে ফেরেনি বলে জানিয়েছে এলজিইডি। কার্যাদেশ বাতিল করার পর সম্পন্ন হওয়া কাজের পরিমাণ যৌথ পরিমাপের মাধ্যমে নতুন করে দরপত্র আহ্বান করা হচ্ছে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী চার তলাবিশিষ্ট ভবনটির দ্বিতীয় তলার ছাদ ঢালাই পর্যন্ত শেষ হয়েছে। তৃতীয় তলার জন্য কেবল পিলার নির্মাণ করা হয়েছে। ভবনের বিভিন্ন স্থানে নির্মাণসামগ্রী ছড়িয়ে পড়েছে। পাশে নির্মাণাধীন হলরুমের ছাদে রড ধরে রয়েছে দীর্ঘদিন। স্থানীয়দের মতে ছাদে রাখা রডের একটি বড় অংশ চুরি হয়েছে।
প্রকৌশলী যুবায়েত হোসাইন বলেন, ‘বারবার চিঠি দিয়েও ঠিকাদারিপ্রতিষ্ঠানকে কাজে ফেরানো সম্ভব হয়নি। চুক্তি বাতিলের পর যৌথ পরিমাপের জন্য তাদের প্রতিনিধি মনোনয়নের অনুরোধ জানানো হয়। কিন্তু কোনো সাড়া না পাওয়ায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে কাজ সম্পন্ন করা হবে। এরপর নতুন করে টেন্ডার আহ্বান করে অবশিষ্ট কাজ সম্পন্ন করা হবে।’
ত্রিশাল উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা আরাফাত সিদ্দিকী জানান, ‘প্রশাসনিক ভবন নির্মাণ শেষ হলে উপজেলা প্রশাসন ও পরিষদ সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি ভোগ করে। দোতলা পর্যন্ত কাজ শেষ হওয়ার পর আর কোনো অগ্রগতি হয়নি। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ঠিকাদারিপ্রতিষ্ঠান আর কাজে ফেরেনি বলে জানা �
