বিদায় হজের ভাষণ থেকে মুসলমানদের করণীয় কী
ইতিহাসে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়
ব দ য় হজ র ভ ষণ – ইসলামের ইতিহাসে বিদায় হজের ভাষণ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ এক অধ্যায়। মানুষের অধিকার ও মুক্তি নিশ্চিত করা এবং সমাজে শান্তি ও ঐক্য প্রতিষ্ঠা করা এই ভাষণের প্রধান অর্থ। হজ ফরজ হওয়ার পর মহানবী (সা.) দশম হিজরিতে প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে পবিত্র হজ পালন করেন। এ হজ ইতিহাসে বিদায় হজ নামে পরিচিত হয়, কারণ তাঁর মৃত্যু তার পর বছরে ঘটে।
ভাষণের গুরুত্ব ও পরিচ্ছন্নতা
বুখারি হাদিসে এসেছে, কাতাদা (রহ.) বর্ণনা করেন: আমি আনাস (রা.)-কে জিজ্ঞেস করলাম, ‘আল্লাহর রাসুল (সা.) কয়বার হজ করেছেন?’ তিনি উত্তর দিলেন, ‘একবার।’ (বুখারি: ১৭৭৮) বিদায় হজ চলাকালে তিনি সাহাবি গোষ্ঠীর সামনে বিশেষ ভাষণ দেন। এই ভাষণ ইতিহাসে পবিত্র হজের এক প্রকাণ্ড অধ্যায় হিসেবে অবতীর্ণ হয়। তাঁর আশা ছিল এটি তাঁর জীবনের সর্বশেষ হজ এবং মুসলিমদের জন্য সর্বশেষ বিশ্ব সম্মেলন।
মুসলিম: ৩০০৯ হতে জাবির (রা.) থেকে বর্ণিত: রাসুলুল্লাহ (সা.) লোকদের উদ্দেশে বলেন, ‘তোমাদের রক্ত এবং সম্পদ তোমাদের জন্য তেমন মর্যাদাপূর্ণ—যেমন তা তোমাদের এই দিনে, এই মাসে এবং এ শহরে মর্যাদাপূর্ণ। সাবধান! জাহিলি যুগের সকল অপসংস্কৃতি আমার পদতলে। জাহিলি যুগের রক্তপণের দাবিও বাতিল। আমি সর্বপ্রথম আমাদের বংশের রবিআ ইবনে হারিসের ছেলের রক্তপণ বাতিল করছি। সে শৈশবে বনু সাআদে দুগ্ধপোষ্য ছিল, হুজাইল গোত্রের লোকেরা তাকে হত্যা করে। জাহিলি যুগের সুদও বাতিল। আমি সর্বপ্রথম আব্বাস ইবনে আবদুল মুত্তালিবের সুদ বাতিল করছি। তার সমস্ত সুদ বাতিল। নারীদের বিষয়ে আল্লাহকে ভয় করো। তোমরা তাদের আল্লাহর আমানত হিসেবে গ্রহণ করেছ এবং আল্লাহর কালেমার মাধ্যমে তাদের নিজেদের জন্য হালাল করে নিয়েছ। তোমাদের প্রতি তাদের কর্তব্য হলো, তারা যেন তোমাদের ঘরে অপছন্দের লোকদের স্থান না দেয়। এমনটি করলে তাদের মৃদু শাস্তি দাও। আর তোমাদের কর্তব্য হলো, তাদের ন্যায়সংগত ভরণপোষণ ও পোশাক-পরিচ্ছাদ নিশ্চিত করা। তোমাদের জন্য আমি একটি বস্তু রেখে যাচ্ছি, যা দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরলে তোমরা পথভ্রষ্ট হবে না; তা হলো পবিত্র কোরআন।’
প্রতিষ্ঠিত প্রতিশ্রুতি ও নির্দেশ
আর বল
