পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভায় প্রথমবারের মতো কোনো মুসলিম নেই
৫৪ বছর পর প রথমব র পশ – ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময়ের মধ্যে এই প্রথম কোনো মুসলিম প্রতিনিধি ছাড়া সরকার গঠিত হয়েছে। গত সোমবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এর নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার সাথে সাথে মন্ত্রিসভার সদস্যসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ৪১ জনে। কিন্তু কোনো মুসলিম মন্ত্রী আছে কিনা তা নিশ্চিত নয়। টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া সংবাদমাধ্যম প্রকাশ করেছে যে বিজেপি দল বিধানসভা নির্বাচনে কোনো মুসলিম প্রার্থী মনোনয়ন দেয়নি। এ বিষয়ে সংখ্যালঘু ভোট দেখা যায় নি বলে দলের কিছু শীর্ষ নেতা প্রকাশ্যে জানিয়েছিলেন।
সংবিধান অনুযায়ী মন্ত্রী হওয়ার জন্য বিধায়ক হওয়া অপরিহার্য নয়। যে কোনো ব্যক্তি নির্বাচিত হয়ে যাওয়ার পর ছয় মাসের মধ্যে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন। কিন্তু এ সোমবারের ঘটনায় কোনো মুসলিম সংখ্যালঘু বিষয়ক দপ্তরের মন্ত্রী ছাড়া সরকার গঠিত হয়েছে। সংখ্যালঘু মুখ্যমন্ত্রী বিষয়ক দপ্তরে ছয় মাসের মধ্যে নির্বাচিত হওয়া প্রয়োজন। এ কারণে সোমবারের মন্ত্রিসভায় সবাই হিন্দু। মন্ত্রীদের তালিকা বুধবার হওয়ার কথা ছিল।
সরকারে মুসলিম প্রতিনিধিত্বের ইতিহাস
পশ্চিমবঙ্গে সংখ্যালঘু মুখ্যমন্ত্রী বিষয়ক দপ্তরের মন্ত্রী ছিলেন আগের সময়ে প্রায় সব সময়। স্বাধীনতার পর গঠিত প্রথম সরকারে ছিলেন তৎকালীন ‘প্রিমিয়ার’ প্রফুল্ল চন্দ্র ঘোষ। তাঁর মন্ত্রিসভায় সৈয়দ কাজিম আলি মির্জা এবং মোহাম্মদ রফিক দুই মুসলিম সদস্য ছিলেন। বিধানচন্দ্র রায় ও প্রফুল্ল চন্দ্র সেনের মন্ত্রিসভায় তাঁদের দপ্তরে দায়িত্ব সামলেছিলেন যেমন প্রাণিসম্পদ ও মৎস্য বিভাগ।
১৯৫২ সালের প্রথম বিধানসভা নির্বাচনে কালীগঞ্জ থেকে এসএম ফজলুর রহমান জয়ী হওয়ার আগে পশ্চিমবঙ্গ সরকারে কোনো মুসলিম প্রতিনিধি ছিল না। তবে এরপর আগের সময়ে সিদ্ধার্থ শঙ্কর রায়ের কংগ্রেস সরকারে মুসলিম মন্ত্রীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছিল। এই সরকারে মোহাম্মদ আমিন এবং আবদুস সাত্তার ছিলেন। ১৯৬০-এর দশকে স্বল্পস্থায়ী সরকারগুলোতে ব্যতিক্রম ছিল। তবে দেখা গেল যে এরপর থেকে কোনো ব্যতিক্রম নেই। তাই �
