তৃণমূলের ২০ সংসদ সদস্য মোদি জোটে যোগদান করেছেন
এব র মমত ক ছ ড় ম – পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর থেকে তৃণমূল কংগ্রেসে ভেতরে বিভাজন চলছে। এবার তা বিধানসভার চেয়ে গুরুতর হয়েছে লোকসভার স্তরে। বিদ্রোহী সংসদ সদস্যদের ধরনে জোটে প্রবেশ করার পরিকল্পনা স্পষ্ট হয়েছে, যার ফলে তৃণমূল শক্তিহীন হয়ে পড়েছে।
আজ রোববার লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সাথে দেখা করার পর বিদ্রোহী সদস্যদের একটি চিঠি জমা দেওয়া হয়। তাদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার, যিনি লোকসভার সদস্য হিসেবে বিশেষ অবদান রেখেছেন। এনডিটিভি থেকে জানা যায়, বিদ্রোহীদের নিজস্ব গোষ্ঠী গঠনের জন্য তিনি ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টির সাথে একীভূত হতে চান।
আমাদের কাছে দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। এখন থেকে আমরা মোদি নেতৃত্বে এনডিএ জোটে কাজ করব এবং সংসদে আলাদা আলাদা ভাবে বসব।
তৃণমূলের জোটে অবদান দেওয়া সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এনডিএ জোটের নামে নিজেদের সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়ার ফলে আদালতের সিদ্ধান্ত প্রতিক্রিয়া পেতে হবে। তিনি জানান, আগামী জুলাই মাসে তৃণমূল নামটি দাবি করার জন্য আনুষ্ঠানিক আবেদন করবেন।
তৃণমূলের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবে মুখ্য নেতা মদন মিত্র বিদ্রোহীদের পদক্ষেপ বিশ্লেষণ করেছেন। তিনি দাবি করেন, বিদ্রোহীদের মূল প্রতিশ্রুতি থেকে সরে এলে এটি মোটেই শুধু জালিয়াতি নয়, স্রেফ প্রতারণার পরিচয় দেয়।
বিদ্রোহীদের দল নাম পেশ করার চেষ্টা স্পিকারের কাছে আজ সকালে গেল। সংসদীয় দলের প্রধান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সংসদের ভেতরে প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীকে স্বাধীন স্বীকৃতি দেওয়া যাবে না। বরং আইনসভার বিধানে দল বিভাজন অযোগ্য বিবেচিত হবে।
সংবিধানের দশম তফশিল অনুযায়ী মূল দলটির স্বাধীন অস্তিত্ব রয়েছে। উপদল হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করতে সংসদ সদস্যদের কোনো স্বাধীনতা দেওয়া যাবে না। এই বিষয়ে আদালতের চূড়ান্ত নির্দেশ নেওয়া হবে।
