অস্ট্রেলিয়ায় নাগরিকত্ব পেয়েছেন দুই ইরানি ফুটবলার
Banglajibon.com – আশ রয়প র র থ দ ই – ইরান ফিরে যাওয়ার পর নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে শঙ্কার কারণে অস্ট্রেলিয়ায় আশ্রয় চেয়েছিলেন দুই নারী ফুটবলার। ফাতেমেহ পাসানদিদেহ ও আতেফেহ রামেজানিসাদেহ এখন অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। নতুন নাগরিকত্ব লাভকে তাঁরা জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ ও আবেগঘন মুহূর্ত হিসেবে মনে করছেন।
ব্রিসবেনে নাগরিকত্ব প্রদান অনুষ্ঠান
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে দুই খেলোয়াড় জানান, আগের দিন ব্রিসবেনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসনমন্ত্রী টনি বার্ক তাঁদের নাগরিকত্ব প্রদান করেন। ওই অনুষ্ঠানে স্থানীয় ইরানি সম্প্রদায়ের বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষীরাও উপস্থিত ছিলেন।
আতেফেহ রামেজানিসাদেহ বলেন, এটি তাঁর জীবনের এক অবিস্মরণীয় দিন। তিনি অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক হতে পেরে গর্বিত এবং কৃতজ্ঞ। তাঁর ভাষ্য, অস্ট্রেলিয়া তাঁকে নতুন জীবন ও ভবিষ্যৎ গড়ার সুযোগ দিয়েছে। তবে নিজের ইরানি শিকড় ও স্মৃতি সব সময় তাঁর পরিচয়ের অংশ হয়ে থাকবে।
ফাতেমেহ পাসানদিদেহও একই ধরনের অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, নানা প্রতিকূলতা ও সংগ্রামের পর এই স্বীকৃতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। এটি তাঁর জীবনের অন্যতম সুখের দিন।
দ্রুত নাগরিকত্ব প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা
তাঁদের নাগরিকত্ব পাওয়ার প্রক্রিয়া অস্বাভাবিক দ্রুত হওয়ার বিষয়টি অস্ট্রেলিয়ায় আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এই বিষয়ে সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের জবাবে অভিবাসন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত গোপনীয়তার কথা উল্লেখ করে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
অস্ট্রেলিয়ার শরণার্থী কাউন্সিলের তথ্য অনুযায়ী, সাধারণত শরণার্থীদের বৈধ ভিসায় চার বছর বসবাসের পর নাগরিকত্বের আবেদন করার সুযোগ থাকে। তবে দেশটির আইনে বিশেষ পরিস্থিতিতে এই সময়সীমা কমানোর সুযোগ রয়েছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, দুই ফুটবলারকে ভবিষ্যতে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ করে দিতেই হতো দ্রুত নাগরিকত্ব দেওয়া হয়েছে।
ইরান থেকে অস্ট্রেলিয়ায় আসার পথ
ইরান নারী দল এশিয়ান কাপ থেকে সরে দাঁড়ানোর পর এই দুই ফুটবলার অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষ নারী ফুটবল লিগের ক্লাব ব্রিসবেন রোর-এ যোগ দেন এবং আশ্রয় লাভ করেন। শুরুতে সাতজন ইরানি নারী খেলোয়াড় আশ্রয়ের আবেদন করলেও পরে পাঁচজন নিজ দলের সঙ্গে দেশে ফিরে যান।
ইরানে ফিরে গেলে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়ে যায়, কারণ টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচের আগে কয়েকজন খেলোয়াড় জাতীয় সংগীত গাইতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন। পরে এক ইরানি টেলিভিশন ভাষ্যকার তাদের ‘যুদ্ধকালীন বিশ্বাসঘাতক’ বলে মন্তব্য করলে বিষয়টি আন্তর্জাতিকভাবে আলোচিত হয়। এমনকি তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও সামাজিক মাধ্যমে তাদের আশ্রয়ের পক্ষে অবস্থান নেন এবং এই বিষয়ে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজের সঙ্গেও কথা বলেন।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is আশ রয়প র র থ দ ই?
আশ রয়প র র থ দ ই is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does আশ রয়প র র থ দ ই matter?
আশ রয়প র র থ দ ই matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.
