International

রাশিয়া-আফগানিস্তান সামরিক চুক্তি, তালেবান যোদ্ধারা কি এবার ইউক্রেন যাবেন

রাশিয়া আফগানিস্তানের সামরিক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে

র শ য আফগ ন স ত – গত বুধবার (২৭ মে) মস্কোয় অনুষ্ঠিত ‘আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ফোরাম’ সম্মেলনে রাশিয়া ও আফগানিস্তানের মধ্যে নতুন সামরিক সম্পর্ক স্থাপনের জন্য একটি চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়। এ সম্মেলনে আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও উপস্থিত নেতা মোহাম্মদ ইয়াকুব রাশিয়ার সঙ্গে দীর্ঘকালীন সহযোগিতা বাড়ানোর প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন। আফগানিস্তানের তালেবান সরকারকে প্রথম আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার পর রাশিয়া এখন পর্যন্ত তালেবান নেতাদের প্রথম আনুষ্ঠানিক অংশগ্রহণের মাধ্যমে আপনার পক্ষে সম্পর্ক গভীর করেছে।

উত্তর কোরিয়ার বিপরীতে আফগানিস্তান থেকে তালেবান যোদ্ধারা কি ইউক্রেনে যাবেন?

পিয়ংইয়ং ও মস্কোর মধ্যে ২০২৪ সালের জুনে সামরিক চুক্তি স্বাক্ষরের পর উত্তর কোরিয়া ইউরোপে হাজার হাজার সেনা পাঠিয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে যে তালেবান সদস্যরা কি ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার পক্ষে সামরিক সহায়তা প্রদান করতে শুরু করবে। অনেকে ধরে নেন যে রাশিয়ার মূল লক্ষ্য হলো তালেবানকে আফগানিস্তানের উত্তর প্রদেশগুলো এবং মধ্য এশিয়ার সীমান্ত রক্ষা করতে নিজেদের শক্তি ব্যবহার করার জন্য।

“আফগানিস্তান ও রাশিয়ার মধ্যে দীর্ঘ ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে এবং আমরা এই সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই,” বলেন তালেবানের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ ইয়াকুব।

রাশিয়ার সহযোগী সের্গেই শোইগু তালেবান নেতাকে স্বাগত জানান এবং পশ্চিমা দেশগুলো আফগানিস্তানের সম্পদ ফিরিয়ে দেওয়া এবং আগ্রাসনের দায় নিয়ে সরকার গঠনে সহায়তা প্রদানের কথা উল্লেখ করেন।

চুক্তির বিস্তারিত তথ্য না থাকায় সুবিধা অনিশ্চিত

বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়া ও আফগানিস্তানের চুক্তির গভীরতা পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। কিন্তু উত্তর কোরিয়ার মতো তালেবানও ইউক্রেনে সামরিক সহায়তা প্রদানের ঝুঁকি নেবে না। নয়াদিল্লি ভিত্তিক অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের ফেলো আলেক্সি জাখারভ বলেন, “রাশিয়া তালেবান থেকে বড় সাহায্য পাওয়ার সম্ভাবনা কম, কিন্তু মুখ্য সামরিক সরঞ্জাম মেরামত বা পুরোনো অস্ত্র পাওয়া তাদের জন্য বেশ সময়োপযোগী হবে।”

আফগানিস্তানের তালেবান সরকার এখন বর্তমানে উত্তরের প্রদেশগুলোতে অভ্যন্তরীণ অস্থিতিশীলতা এবং পাকিস্তান সঙ্গে সীমান্ত রক্ষা করার সংকট প্রতিক্রমন করছে। এই পরিস্থিতিতে মধ্য এশিয়ার সাথে রাশিয়ার ব্যাকইয়ার্ড কার্যক

Leave a Comment