পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের সব কমিটি ভেঙে দিলেন মমতা
পশ চ মবঙ গ ত ণম ল – পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের সম্পূর্ণ কমিটি স্তর বিলুপ্ত হয়ে গেছে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতিশ্রুতির পর যার ফলে দলটির সামগ্রিক অবস্থা বিপর্যস্ত হয়েছে। গত সোমবার এবং আজ সন্ধ্যার মধ্যে বিধায়কদের স্বাক্ষরিত একটি সমর্থনপত্রের মাধ্যমে তৃণমূল এখন স্পিকার রথীন্দ্র বোসের কাছে নতুন নেতা নির্ধারণের দাবি জানাচ্ছে।
তৃণমূল কংগ্রেস দ্য টেলিগ্রাফ সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে বিদ্রোহী কর্মকাণ্ডের আগেই। পরিস্থিতি গুরুতর হওয়ার পর দলটি এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে যে অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসসহ সহযোগী সংগঠনগুলো কমিটি বিলুপ্ত করা হবে।
আগের দিন অভিষেক ব্যানার্জি দ্বারা স্পিকার রথীন্দ্র বোসকে চিঠি দেওয়া হয়েছিল যাতে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলীয় নেতা করার দাবি ছিল। কিন্তু স্পিকারের কার্যালয় তার প্রতিবাদ করেছিল যার ফলে দলের নেতা কুণাল ঘোষ প্রশ্ন তুলেছেন, ‘যদি বিদ্রোহী বিধায়কদের দলের অফিশিয়াল নাম নিয়ে আপত্তি থাকত, তবে মমতা ও অভিষেকের উপস্থিতিতে হওয়া বৈঠকে কেন এই কথা বলা হয়নি?’
‘বিভিন্ন দিক পর্যালোচনার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, পশ্চিমবঙ্গে অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসসহ এর সব সহযোগী সংগঠনের কমিটি বিলুপ্ত করা হলো।’
রিতব্রত ব্যানার্জি এবং সন্দীপন সাহাকে গত সোমবার দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। তাঁদের স্বাক্ষরিত চিঠিতে নিশ্চিত হওয়ার পর তৃণমূল জানিয়েছে যে এই কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে আইনগতভাবে কোনো ভিত্তি ছাড়া। নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পর দলটি এখন ৮০টি আসন পেয়েছে যেখানে অন্তত ৫৮ জন বিধায়ক প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন দলের স্পিকারের কাছে।
আগামী সপ্তাহে মমতা ব্যানার্জি এবং অভিষেক ব্যানার্জি দিল্লি যাচ্ছেন। সেখানে তাঁরা জোট ইন্ডিয়া বৈঠকে যোগ দেবেন এবং সংসদের অধিবেশনের পরিকল্পনা ও বিজেপি বিরুদ্ধে দেশব্যাপী আন্দোলনের পরিচয় নিয়ে আলোচনা করবেন।
