নেতানিয়াহু গাজার ৭০ শতাংশ এলাকা দখলে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন
গ জ র ৭০ শত শ দখল – গাজার ৭০ শতাংশ এলাকা দখলে নেওয়া হবে এই নির্দেশ নেতানিয়াহু সম্মেলনে প্রকাশ করেন। এই সিদ্ধান্ত বিশেষ করে গাজার প্রায় দুই তৃতীয়াংশ এলাকা জয় করা হয়েছে এমন একটি সময়ে জারি হয়। গাজার প্রায় ৬০ শতাংশ এলাকার নিয়ন্ত্রণ ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে ছিল যখন সামরিক কর্মকাণ্ডের পর নির্দেশ ছিল সেই সংখ্যা পর্যন্ত ৭০ শতাংশ পর্যন্ত আগানো। এই বিষয়ে বিশেষ করে সম্মেলনে যোগদানকারী বিশ্ব নেতাদের মধ্যে একটি স্থায়ী সীমান্ত স্থাপনের প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়।
গাজার আগের দখল ও নতুন নির্দেশের প্রসঙ্গ
সম্মেলনটি পশ্চিম তীরে অনুষ্ঠিত হয় এবং ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে স্বাক্ষরিত যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে উল্লেখ করা হয়েছিল যে ইসরায়েল বাহিনী গাজার প্রায় ৫৩ শতাংশ এলাকার সীমানা পর্যন্ত কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ করবে। গত মঙ্গলবার হামাস ইসরায়েল সীমারেখা পরিবর্তনের অভিযোগ তুলেছে এবং তা দ্বারা যুদ্ধবিরতি চুক্তির লঙ্ঘন হয়েছে বলে অভিহিত করে। গাজার নতুন নির্দেশ সামরিক প্রসারের সম্ভাবনা বাড়িয়েছে এবং এই পরিস্থিতি ইতিমধ্যে স্থায়ী করার চেষ্টা হচ্ছে।
বর্তমানে আইডিএফ গাজার প্রায় ৬৪ শতাংশ এলাকা দখল করেছে এবং সেই বিষয়ে আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থাগুলো নির্দেশিকা প্রদান করেছিল। তবে নেতানিয়াহু নির্দেশ দিয়েছেন যে সেই পরিসংখ্যানের পর আরও কমপক্ষে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত আগানো দরকার। গাজার এই নির্দেশ সামরিক কর্মকাণ্ডের গতি সম্পর্কে বিশেষ করে সংখ্যাগুলো বৃদ্ধি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
গাজার ৭০ শতাংশ এলাকা দখল করা হলে কেন্দ্রীয় রাজধানী রামালুহ এবং প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত সম্পূর্ণ কর্মকাণ্ডের সূচনা হতে পারে। নেতানিয়াহু এই পরিচয় বিশ্বাস করেন যে গাজার প্রায় ২০ লাখ ফিলিস্তিনি বাসিন্দাদের অবরুদ্ধ করার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হতে পারে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী বর্তমানে সীমারেখা পরিবর্তনের কারণে গাজার এলাকাগুলো দখল করতে সক্ষম হয়েছে।
আইডিএফ বাহিনী গাজার এলাকার সাথে সংঘর্ষ বাড়িয়ে দেওয়া সম্ভাবনা রয়েছে। নেতানিয়াহু বলেন যে তিনি এই কার্যকলাপ গাজার বিধ্বস্ত অংশে তৈরি করতে চান। এই ধারণা ইসরায়েলের সামরিক কর্মকাণ্ডের গুরুত্ব বৃদ্ধি করতে পারে। গাজার এই দখল পরিস্থিতি হামাসের প্রতিক্রিয়া ও বিশ্বের সমালোচনার সম্মুখীন হতে পারে।
গাজার ৭০ শতাংশ এলাকা দখল করা একটি সীমান
