বেদে নারীদের চুল কাটার দাবি ভিডিওতে ছড়িয়েছে, কিন্তু প্রমাণ নেই জামায়াত নেতার সংশ্লিষ্টতা
ব দ ন র দ র চ – সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করে বেদে সম্প্রদায়ের দুই নারীকে জামায়াত নেতা দ্বারা চুল কেটে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ তোলা হয়েছে। এ ছাড়া এ ভিডিওটি এখন পর্যন্ত প্রায় ৬ লাখ ২৭ হাজার বার দেখা হয়েছে। অনুসন্ধানে এটি একটি নির্যাতনের ঘটনা হিসেবে প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
ভিডিওটি ৩ জুন রাত ১০টার দিকে ফেসবুক পেজ ‘Afzal Hossen’ থেকে শেয়ার করা হয়। আলোচিত দাবির সত্যতা যাচাই করার জন্য ভিডিওটি পর্যবেক্ষণ করা হয়। অনুসন্ধানে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এটিএন নিউজের যথার্থ প্রমাণ খুঁজে পাওয়া যায়। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলায় চুরির অভিযোগে তিন নারীকে গাছে বেঁধে মারধর করা হয়েছিল এবং তাদের চুল কেটে দেওয়া হয়।
ভিডিওটির প্রাথমিক লেখায় উল্লেখ করা হয়েছিল মুগদা উপজেলার জামায়াত নেতা আলি হাসান এর সম্পর্কে। কিন্তু তদন্তে মুগদা উপজেলা বাংলাদেশে কোনো উপজেলা নেই। রাজধানী ঢাকার দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের একটি এলাকার নাম মুগদা।
বেশিরভাগ ব্যবহারকারী আলোচিত ঘটনাটিকে সত্য বলে মনে করেন। ভিডিওর সাথে সংশ্লিষ্ট নারীদের চুল কাটার দৃশ্য দেখানো হয়। ব্যক্তি বলেন, “তরে পুশকুনিতে (পুকুরে) ফালাইয়া দিমু। চুল থাকলে তোর ঠান্ডা লাইগা যাইব। তোরে পুশকুনিত ফালাইয়া মারমু। এমনে মারমু না।”
তখন ভুক্তভোগী নারী চুল না কাটার আকুতি জানায়, “বাবা, চুলডি কাইট্টো না, বাবা।”
বিষয়টি নিয়ে আরও অনুসন্ধানে জাতীয় দৈনিক প্রথম আলোর প্রতিবেদন পাওয়া যায়। ওই প্রতিবেদনে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার ডহরগাঁও এলাকায় স্বর্ণের চেইন চুরির অভিযোগে তিন নারীকে বেঁধে মারধর ও চুল কেটে দেওয়ার ঘটনা তুলে আসে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই তিন নারীকে উদ্ধার করে।
অভিযুক্ত বাড়ির মালিক সেলিম মিয়া দাবি করেন, তাঁর স্ত্রীর সোনার চেইন নিয়ে পালানোর সময় ওই নারীরা ধরা পড়েছিল। কিন্তু তিন নারীর দাবি, তাঁ
