প্রশান্ত মহাসাগরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে: বাংলাদেশ সহ ছয়টি দেশে বন্যা, খরা এবং রোগব্যাধির ঝুঁকি বৃদ্ধি পেয়েছে
প রবল হচ ছ এল ন ন – আন্তর্জাতিক মানবিক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল রেসকিউ কমিটি (আইআরসি) সতর্ক করেছে যে দ্রুত শক্তিশালী হতে থাকা এল নিনো পূর্ব আফ্রিকা ও দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য ভয়াবহ বন্যা, রোগব্যাধি এবং খরার হুমকি তৈরি করছে। এ তথ্য কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে থেকে জানা গেছে।
আইআরসি এক সতর্কবার্তায় জানিয়েছে যে কেনিয়া, উগান্ডা, সোমালিয়া এবং বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান এল নিনোর প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলো। এসব অঞ্চলে মানবিক সংকটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বিভিন্ন সমস্যা।
‘আমরা একসঙ্গে কয়েকটি জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হতে দেখছি। যেসব এলাকার আরেকটি ধাক্কা সামলানোর মতো ন্যূনতম সক্ষমতা নেই, মূলত তারাই এখন নিশানা বা বিপদের মুখে রয়েছে।’ বলেছেন আইআরসির জরুরি পরিস্থিতি-বিষয়ক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বব কিচেন।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাইমেট প্রেডিকশন সেন্টার জানিয়েছে যে এল নিনো দ্রুত শক্তিশালী হচ্ছে এবং এটি অন্যতম শক্তিশালী রূপ নেওয়ার ৮১ শতাংশ সম্ভাবনা রয়েছে। প্রশান্ত মহাসাগরের তাপমাত্রা ইতিমধ্যেই রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছেছে। আগামী সময়ে এর প্রভাব মূলত অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সর্বোচ্চ হতে পারে।
এল নিনো হল প্রশান্ত মহাসাগরের তাপমাত্রার একটি স্বাভাবিক পরিবর্তন, যা সাধারণত দুই থেকে সাত বছর অন্তর ঘটে। স্বাভাবিক অবস্থায় বাণিজ্যিক বায়ু উষ্ণ পানিকে পশ্চিম দিকে ঠেলে দেয়। কিন্তু এই বায়ু দুর্বল হয়ে পড়লে উষ্ণ পানি পুরো প্রশান্ত মহাসাগরে ছড়িয়ে পড়ে এবং বৈশ্বিক আবহাওয়া ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে। ফলে কোনো অঞ্চলে অস্বাভাবিক ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে, আবার কোথাও বৃষ্টিপাত উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে।
আবহাওয়াবিদরা জানায় যে ভারত মহাসাগরের তাপমাত্রার আরেকটি পরিবর্তনের কারণে চলতি বছর এল নিনোর প্রভাব আরও তীব্র হতে পারে। বাংলাদেশে জুলাইয়ের শুরু থেকে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে ভূমিধস ও বন্যার ফলে অন্তত ১৫ জন শরণার্থী ন
