Environment

এল নিনো: স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টিপাত হবে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ায়

এল নিনো: স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টিপাত হবে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ায়

এল ন ন – প্রশান্ত মহাসাগরের ক্রান্তীয় এলাকায় এল নিনো ঘটনা ঘটতে শুরু হয়েছে এবং এটি আগামী কয়েক মাসে বৈশ্বিক তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের প্রকৃতি বদলের কারণ হতে পারে। এই পরিস্থিতির ফলে সম্ভবত চরম আবহাওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পাবে বলে সতর্ক করেছে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও)। অনুমান অনুযায়ী, পুরো দক্ষিণ এশিয়ায় এল নিনোর কারণে সাধারণের চেয়ে কম পানি বা বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের সম্পর্কে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার বিবরণ

নতুন এল নিনো/লা নিনা সংক্রান্ত হালনাগাদ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, ২০২৬ সালের জুন-আগস্ট মাসে এল নিনো ঘটার সম্ভাবনা ৮০ শতাংশ। এই পরিস্থিতি নভেম্বর পর্যন্ত অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা মোট ৯০ শতাংশ বা তার বেশি। কয়েকটি পূর্বাভাস মডেল সূত্রে এটি মাঝারি মাত্রার হতে পারে বলে তোলে, এবং সম্ভবত আরও শক্তিশালী হতে পারে।

“বিজ্ঞান স্পষ্টভাবে বলছে, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে ৯০ শতাংশ নিশ্চয়তা নিয়ে এল নিনো আমাদের দুয়ারে এসে উপস্থিত হচ্ছে। বিশ্বকে এটিকে একটি জরুরি জলবায়ু সতর্কবার্তা হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। উষ্ণ হয়ে ওঠা পৃথিবীর আগুনে আরও জ্বালানি ঢালবে এল নিনো পরিস্থিতি। এর প্রভাব আরও তীব্র হবে, আরও দূর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়বে এবং বিধ্বংসী গতিতে সীমান্ত অতিক্রম করবে।”

ডব্লিও মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এই পরিবেশগত সংকট মোকাবিলার আহ্বান জানান যে, সংকটের মাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ জলবায়ু পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা সম্পূর্ণ বন্ধ করা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার বৃদ্ধি করা এবং সবার জন্য আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

ডব্লিও এর তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত মে মাসের মাঝখানে মধ্য-পূর্ব নিরক্ষীয় অঞ্চলে প্রশান্ত মহাসাগরের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা এল নিনো ঘটনার সীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে। এই পর্যবেক্ষণ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের ডেটা ভিত্তিক হয়েছে।

পৃষ্ঠতলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেছন থেকে জোগান পাচ্ছে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় প্রশান্ত মহাসাগরের অস্বাভাবিক উষ্ণ ভূগর্ভস্থ জলস্তর থেকে। সেখানে তাপমাত্রা গড়ের তুলনায় ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি ছিল। এই বিপুল তাপভাণ্ডার সমুদ্রপৃষ্ঠের উষ্ণতা বৃদ

Leave a Comment