শন পেনের বড় সিদ্ধান্ত: সেলফি থেকে বিরত হওয়া এবং অস্কারের আসরে অংশ নেওয়া ছিল না
অস্কার পুরস্কার অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত
শন প ন র বড় স দ – বর্তমানে শন পেনের বড় সিদ্ধান্ত এখন সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত হচ্ছে। কারণ তিনি এই বছরের নবম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসে ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’ সিনেমার জন্য সেরা পার্শ্ব অভিনেতার পুরস্কার জেতে এবং তাঁকে অস্কার অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত থেকে ইউক্রেনে গিয়েছিলেন। শন পেন বর্তমানে আগের সময়ের চেয়ে অনেক বেশি জনপ্রিয় হয়েছেন, কিন্তু এই বড় সিদ্ধান্ত তাঁর প্রতিকূল ভাবনা ও অনুভূতির প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
শন পেনের বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার পিছনে ছিল তাঁর অস্কার আসরে অংশ নেওয়ার প্রতি অস্বস্তি। কিয়েরান কালকিন এবং শন পেন একই সময়ে একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসে অংশ নিয়েছিলেন, কিন্তু তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না। সেলফি ও সামাজিক অস্বস্তি কারণে তাঁর বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে আর কোনো পুরস্কার অনুষ্ঠানে জনসাংঘর্ষে অংশ নেবেন না।
শন পেন বলেন, ‘আমি এখন পর্দার পিছনে থাকতে চাই। সেলফি দ্বারা ব্যক্তির মানবিক অনুভূতি প্রায় শুষে নেয় এবং এটা কোনো ক্ষতিকর প্রক্রিয়া।’
সেলফি বিরোধিতা এবং সামাজিক সংস্কৃতি
বর্তমান সময়ে সেলফি প্রথমে একটি সামাজিক মাধ্যমে নেতৃত্বে থাকার চেয়ে আরও বেশি প্রভাব ফেলে। শন পেনের বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার পিছনে ছিল সেলফি প্রসঙ্গে ক্ষোভ ও দৃষ্টিভ্রম বিরোধিতা। তিনি আরও জানান, বড় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার ফলে সেলফি বাদ দিয়ে ব্যক্তি আরও বেশি মানবিক সংস্কৃতি সম্পর্কে চিন্তা করতে পারবেন।
শন পেনের বড় সিদ্ধান্ত অস্কার পুরস্কারে জনসাংঘর্ষের মধ্যে বেশি ক্ষতিকর হতে পারে বলে তিনি মনে করেন। তিনি মনে করেন সেলফি দ্বারা ব্যক্তির সামাজিক ভাবনার স্বাভাবিক প্রকাশে বাধা হয়। এখন থেকে তিনি বড় সিদ্ধান্ত নিয়ে সেলফি সংস্কৃতির প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং এটি বড় সিদ্ধান্ত গ্রহণের পিছনে ছিল কারণ সেলফি প্রতি ব্যক্তি আরও বেশি আসল মানবিক অনুভূতি ও পারস্পরিক যোগাযোগের আন্তরিকতা হারায়।
আগের পর্দা ও বর্তমানে পরিবর্তন
শন পেনের বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তিনি বেশি পর্দার পিছনে থাকতেন এবং একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসের আসরে সামাজিক মাধ্যমে বেশি ক্ষতিকর প্রক্রিয়া হতে পারে বলে মনে করেছিলেন। তাঁর বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর থেকে তিনি বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন পার্শ্ব অভিনয়ের মধ্যে প্রকাশ করতে।
শন পেনের বড় সিদ্ধান্ত বাস্তব জীবন অভিজ্ঞতা ও সামাজিক অস্বস্তির প্রতি অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়ার পরিণতি। তিনি মনে করেন সেলফি প্রসঙ্গে প্রতিটি মানুষ বেশি ক্ষতিকর হয়। কারণ তিনি এই বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার পিছনে ছিল ব্যক্তির মানবিক অনুভূতি ও পারস্পরিক যোগাযোগের আন্তরিকতার প্রতি সমালোচ
