১৫ বছরে ৭ উপাচার্য, চারজনকেই অপসারণ
১৫ বছর ৭ উপ চ র য – দীর্ঘ 15 বছরে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে সাতজন উপাচার্যের পরিচালনা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে চারজন অপসারণের জন্য চাপা হয়েছিল। বাকি তিনজনও তিক্ত অভিজ্ঞতা নিয়ে ক্যাম্পাস থেকে বিদায় নিয়েছেন। এতে বিশ্ববিদ্যালয় অবস্থার সমস্যার কারণ হিসেবে উন্নয়ন ও গবেষণার স্তর বৃদ্ধি পেতে না পারা ও শিক্ষক-কর্মকর্তাদের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হওয়া কম প্রতিক্রিয়া ছিল।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, 2011 সাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় গঠনের পর সাতজন উপাচার্যের পরিচালনা চালু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ইমামুল হক, বদরুজ্জামান ভূঁইয়া, শুচিতা শরমিন এবং তৌফিক আলম ক্যাম্পাসে চার বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে অপসারণের দাবি জুড়েছিলেন। বাকি তিনজন অপর পক্ষে চার্জ পাওয়া ছাত্রদের মধ্যে ঘটনার প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছিলেন।
জুমার নামাজের পর উত্তেজনা
আজ শুক্রবার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য ড. মামুন অর রশিদ যোগদানের আগেই তাঁর পক্ষ ও বিপক্ষে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল। তবে কোনো পক্ষই সুবিধা করতে পারেনি। এ নিয়ে জুমার নামাজের পর ক্যাম্পাসে চাপা উত্তেজনা দেখা দেয়।
গুপ্তরা নতুন উপাচার্যকে বিতর্কিত করতে তাঁর অপসারণের দাবি তুলেছিল। সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে পাল্টা স্বাগত মিছিলের ঘোষণা দেলে ‘গুপ্তরা’ ক্যাম্পাসে নামতে পারেনি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক অধ্যাপক ড. মো. মুহসিন উদ্দীন বলেন, ‘ববির দ্বিতীয় ফেজের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং আইনি কাঠামো অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত হলে সংকট থাকবে না। নতুন ভিসিকে এ বিষয়গুলো ত্বরান্বিত করতে হবে।’
বিশ্ববিদ্যালয় বাড়ানোর আহ্বান
বরিশাল সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান খান বলেন, ‘ববি রয়ানিতে অনেক পিছিয়ে। সরকারের প্রতি আহ্বান, ববি কে
