Education

জাল সনদে চাকরি: আরও ১৪১ শিক্ষককে শোকজ

জাল সনদে চাকরি: আরও ১৪১ শিক্ষককে শোকজ

জ ল সনদ চ কর কর্মপ্রক্রিয়ায় বেতন ও ভাতা বাবদ মাসিক অনুদান প্রদানের জন্য সনদ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছে আরও ১৪১ জন শিক্ষককে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী এই শিক্ষকদের মধ্যে মাদ্রাসা পর্যায়ের ১১৪ জন, কলেজ পর্যায়ের ২৪ জন এবং কারিগরি বিভাগে ৩ জন শিক্ষক ছিল। এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সনদ ভুয়া বা জাল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে যারা অর্থ ও সুবিধা পাওয়ার জন্য নোটিশ প্রদান করা হয়েছিল।

এ বিষয়ে আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ) দুই দফায় মোট ৭৩৩ জন শিক্ষকের সনদ জাল বলে চিহ্নিত করেছে। এগুলোর মধ্যে স্কুল ও কলেজ পর্যায়ের শিক্ষকদের সংখ্যা ৪৭১ জন, আর মাদ্রাসা ও কারিগরি বিভাগে ২৬২ জন শিক্ষকের সনদ পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছিল। এই তদন্তের ভিত্তিতে ডিআইএ কর্তৃক নির্দেশ দেয়া হয়েছিল সংশ্লিষ্ঠ দপ্তরগুলোকে জনবল ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য।

ডিআইএ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে জাল সনদ চাকরি ক্ষেত্রে

প্রতিবেদন অনুযায়ী কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছিল যে সনদ জাল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল শিক্ষকদের সাথে সম্পৃক্ত দপ্তরগুলো। বিষয়টি জানানোর পর এমপিও অনুযায়ী বেতন ও ভাতা প্রদানের ক্ষেত্রে তদন্ত চালু করা হয়। নোটিশে স্পষ্ট করা হয়েছে যে কারণ দর্শানোর জন্য একটি লিখিত জবাব দেয়ার জন্য মাসিক কার্যক্রমে দুই দিবস সময় দেয়া হয়েছিল।

গত শনিবার মাউশি প্রথম ধাপে এই পরিচয় প্রদান করা হয় ৬৩ জন শিক্ষককে। যার ফলে পরবর্তী কার্যক্রম শুরু হয়। এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী জাল সনদ চাকরি ক্ষেত্রে আরও ব্যাপক তদন্তের প্রয়োজন হয়েছিল। কর্মপ্রক্রিয়া বাবদ মাসিক অনুদান প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ঠ দপ্তরগুলো কারণ দর্শানোর পরিচয় দিতে বাধ্য হয়েছিল।

তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী মাদ্রাসা পর্যায়ের ২৫১ জন শিক্ষকের সনদ জাল ছিল। যারা বেতন ও সুবিধা পাওয়ার জন্য নোটিশ প্রদান করা হয়েছিল। বাকি ১১ জন শিক্ষকের সনদ ভুয়া বিএড, বিপিএড বা গ্রন্থাগার বিষয়ে ছিল। এই জন্য তদন্ত চালু করা হয়।

এমপিও অনুযায়ী কর্মপ্রক্রিয়ায় নোটিশ প্রদানের জন্য বেতন ও ভাতা বাবদ মাসিক অনুদান প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়। এ বিষয়ে সরাসরি জাল সনদ চাকরি কর্মপ্রক্রিয়া দুর্বল করে দিয়েছে প্রতিষ্ঠানগুলো। তদন্তে মাদ্রাসা পর্যায়ের শিক্ষকদের সংখ্যা কম হলেও সারাদেশে এ বিষয়ে

Leave a Comment