উচ্চশিক্ষা নিতে আসা শিক্ষার্থীদের ঘাটতি কাটাতে: ড. ইয়াসমীন
উচ চশ ক ষ ন ত আস – বর্তমানে উচ্চশিক্ষা নিতে আসা শিক্ষার্থীদের ঘাটতি কাটাতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলে গবেষক ড. ইয়াসমীন আরা মন্তব্য করেছেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর এবং যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভাষাবিজ্ঞানে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তার সাথে আলোচনায় তিনি উচ্চশিক্ষা কাঠামোর বর্তমান অবস্থা, শিক্ষার্থীদের যোগ্যতা ও সমস্যাগুলো নিয়ে আলোচনা করেছেন।
মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পড়াশোনার ঘাটতি কেন আরও গুরুতর হচ্ছে?
ড. ইয়াসমীন আরা জানান যে উচ্চশিক্ষা নিতে আসা শিক্ষার্থীদের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার মারাত্মক ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রবেশের সময় তাদের মৌলিক জ্ঞান, ভাষাগত দক্ষতা এবং গাণিতিক ক্ষমতা বিবেচনার মধ্যে সামঞ্জস্য নেই। ফলে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা শুরু করতে গিয়ে সামনে বেশি সংকট দেখা দিচ্ছে। কারণ এখন পর্যন্ত তাদের বোঝার ক্ষমতা ও গুণগত পরিমাণ দেখা যাচ্ছে যে তা স্থায়ী নয়।
ঘাটতি কাটাতে বিশ্ববিদ্যালয় কি করছে?
বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদের শিক্ষার্থীদের ভিত্তি ঘাটতি কাটাতে কোনও কাজ করছে না বলে তিনি মনে করেন। তিনি বলেন, অনেক শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা নিতে আসতে গিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পড়াশোনা ছাড়া কোনও বিষয় বুঝতে পারছে না। এজন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো জনসাধারণের দ্বারা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে জ্ঞান সৃষ্টি করতে হবে। কারণ শিক্ষার্থীদের ভিত্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রবেশ করার সময় পরিষ্কার নয় বলে মনে করছেন ড. ইয়াসমীন।
শিক্ষার্থীদের ঘাটতি কাটাতে বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে আলোচনা করার দরকার আছে। এতে করে কিন্তু উচ্চশিক্ষা নিতে আসা শিক্ষার্থীদের সমস্যাগুলো কমানো সম্ভব।
তিনি মনে করেন যে সার্বিক গুণগত ক্ষমতা বৃদ্ধি করা জরুরী। স্কুল ও কলেজের শিক্ষা প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ ভিন্ন হওয়া উচিত এবং শিক্ষার্থীদের অ্যাকাডেমিক নিরাপত্তি কাজে লাগবে। উচ্চশিক্ষা নিতে আসা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ঘাটতি
