বাজেটের প্রভাব: পকেটের স্বস্তি ও অস্বস্তি
ব জ ট র প রভ ব – অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আগামী অর্থবছরের বাজেটে সামগ্রিকভাবে ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উপর উৎসে কর কমানোর প্রস্তাব দিয়েছেন। বিভিন্ন খাতে কর ও শুল্ক কমানোর আরও কিছু উদ্যোগ অন্তর্ভুক্ত হয়েছে যা মানুষের ব্যয়ের চাপ কমাতে সাহায্য করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
তবে এ পদক্ষেপের কার্যকারিতা বাজার তদারকি ও সরবরাহ শৃঙ্খলার দক্ষতার উপর নির্ভর করবে। কর কমানোর প্রস্তাব সাথে সাথে কিছু পণ্যে শুল্ক-কর বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে যাতে ভোক্তাদের পকেটের ওজন কমে যায়। কর কমানো সিদ্ধান্ত মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের পরিবারের জন্য একটি উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
স্বাস্থ্য খাতে স্বস্তি
বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে দৃশ্যমান স্বস্তির বার্তা ছড়িয়ে পড়েছে। কিডনি ও হৃদ্রোগীদের জন্য ডায়ালাইসিস ফিল্টার, ব্লাড টিউবিং সেট, হার্টের স্টেন্ট এবং চোখের ইনট্রাওকুলার লেন্সে ভ্যাট ও কর ছাড়ের প্রস্তাব রয়েছে। সরকারের হিসাব অনুযায়ী, এতে চিকিৎসা সরঞ্জামের খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে।
আগামী অর্থবছরের বাজেটে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে উৎসে কর কমানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সরকারের প্রত্যাশা সরবরাহ পর্যায়ে করের চাপ কমলে বাজারে পণ্যের দাম কমে যাবে।
প্রযুক্তি ও ব্যাংকের স্বস্তি
ব্যাংক আমানতকারীদের জন্য আবগারি শুল্কমুক্ত সীমা বৃদ্ধি করা হয়েছে যেতে ব্যাংক হিসাবের ওপর বিল কমে যাবে। কম্পিউটার, প্রিন্টার এবং মনিটরের ওপর শুল্ক ও কর কমানোর প্রস্তাব ছিল এবং মোবাইল সিম কার্ডে বর্তমান ৩০০ টাকার কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হয়েছে। ফলে প্রযুক্তিপণ্যের দাম কমানোর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে যে শিক্ষার্থী, ফ্রিল্যান্সার ও সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) সভাপতি এম রাশিদুল হাসান বলেন, প্রযুক্তিপণ্যের ওপর কর কমানো ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি ত্বরান্�
