Business

১৬ মাসে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি

সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি ১৬ মাসে দাঁড়িয়েছে

১৬ ম স সর ব চ চ – সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপগুলির পর সারা বাজারে দাম কমেনি বরং বেড়েছে। জ্বালানি তেলের দাম ও পরিবহন খরচ বৃদ্ধির কারণে খাদ্যপণ্যগুলির দামও অব্যাহত ছিল। মার্চে মূল্যস্ফীতি কিছুটা হ্রাস পেয়েছিল কিন্তু এপ্রিল ও মে মাসে তা পুনরায় বৃদ্ধি পেয়েছে। বিবিএসের হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমান মাসে জাতীয় পর্যায়ে মূল্যস্ফীতি হার ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ দাঁড়িয়েছে, যা গত ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ।

মার্চে মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৭১ শতাংশ ছিল। এপ্রিলে তা ৯ দশমিক ০৪ শতাংশে ও মেতে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৪২ শতাংশে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে হার ছিল ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশ। তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২৫ সালের জানুয়ারির পর এটিই সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি। তখন হার ছিল ৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ।

খাদ্য মূল্যস্ফীতি প্রায় ১ শতাংশ বেড়েছে

মে মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ৬৭ শতাংশ হয়েছে, যা এপ্রিলের তুলনায় মাত্র এক মাসে শূন্য দশমিক ৬৭ শতাংশ বৃদ্ধি। অন্যদিকে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি বেড়েছে ৯ দশমিক ৭১ শতাংশে, যা আগের মাসের ৯ দশমিক ৫৭ শতাংশ থেকে বেশি।

পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান ড. জাইদী সাত্তার বলেন, মূল্যস্ফীতি মজুরি বৃদ্ধিকে ছাড়িয়ে যাওয়ায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতা কমে যাচ্ছে। ব্যয় কমাতে পরিবারগুলো বাধ্য হয়ে চালায় ব্যয় কমাতে হচ্ছে।

মে মাসে জাতীয় গড় মজুরি বৃদ্ধির হার ৮ দশমিক ২১ শতাংশ হয়েছে। যার বিপরীতে মূল্যস্ফীতি হার ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ। তার ফলে প্রকৃত আয় কমে গিয়েছে। গ্রামীণ এলাকায় মূল্যস্ফীতি হার গ্রামের তুলনায় বেশি। যার মধ্যে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি প্রায় ১০ শতাংশ পৌঁছেছে।

সানেমের নির্বাহী পরিচালক ড. সেলিম রায়হান বলেন, পরিবহন খরচ ও কৃষি উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির কারণে গ্রামীণ অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতির চাপ বেড়েছে।

বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির কারণে উৎপাদন থেকে বাজারজাতকরণ পর্যায়ে সব স্তরে খরচ বেড়েছে। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় পণ্য পরিবহনের খরচ বাড়ছে। ফলে বাজারে শাকসবজি ও মাছ-মাংসের দাম বৃদ্ধি হয়েছে। চালের দামও কেজিতে ২-৩ ট

Leave a Comment