পাট খাতকে ৭ বিলিয়ন ডলারের শিল্পে রূপ দেওয়ার লক্ষ্য
প ট খ তক ৭ ব ল – জুট খাতকে দেশের অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হিসেবে বিকাশের উদ্দেশ্যে সরকার বিশাল লক্ষ্য নিয়েছে। এ লক্ষ্যের মাধ্যমে খাতটি প্রায় ১ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি আয় থেকে মোট আয়ের ৫-৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছানোর পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাজধানীতে ফার্মগেটে আয়োজিত ‘বহুমুখী পাটপণ্য মেলা-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এ পরিকল্পনা প্রসঙ্গে বক্তব্য রেখেছেন।
মন্ত্রীর বক্তব্য
স্বাধীনতার পর প্রথম অর্থবছরে দেশের রপ্তানি আয়ের প্রায় ৯০ শতাংশ জুট ও জুটজাত পণ্য থেকে আসে। সে সময় মোট আয় ৩৪৮ মিলিয়ন ডলার ছিল, যেখানে জুট খাতের অবদান ৩১৩ মিলিয়ন ডলার ছিল। বর্তমানে আয় ৫০-৫৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে বলে জানানো হয়েছে, তবুও জুট রপ্তানি আয় প্রায় ১ বিলিয়ন ডলারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে।
বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই পণ্যের চাহিদা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ সুযোগ কাজে লাগাতে হলে বহুমুখী পাটপণ্য উৎপাদনের পাশাপাশি নতুন নকশা উদ্ভাবন ও উন্নত প্রযুক্তি প্রয়োগ গুরুত্বপূর্ণ।
অন্যতম সমস্যা ও সমাধান
বর্তমানে জুট খাতের বীজের সংকট একটি মূল চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। প্রতিবছর প্রায় ৬ হাজার টন বীজ চাহিদা পূরণে আমদানি আসছে। তবে সরকার দেশীয় উৎপাদনের মাধ্যমে মানসম্মত বীজ নিশ্চিত করার পরিকল্পনা তৈরি করেছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে কাঁচা জুট রপ্তানি বাড়ানোর পরিবর্তে শিল্প বিকাশে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। সরকার গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি উন্নয়নে বিনিয়োগ বাড়ানোর লক্ষ্য রেখেছে।
সহযোগিতা ও পরিকল্পনা
পাট ও চামড়া খাতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে চীনের কয়েকটি শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে যৌথ উদ্যোগ করা হবে। এ সাথে রাষ্ট্রায়ত্ত জুট কলের কার্যক্রম সংক্ষেপে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান বলেন, জুটকে
