আস্থার ঘাটতির মধ্যেই বড় বিনিয়োগের স্বপ্ন
আস থ র ঘ টত র মধ – ২০২৬-২৭ অর্থবছরে দেশে বড় বিনিয়োগের লক্ষ্য নির্ধারণ করতে যাচ্ছে সরকার, যার পাশাপাশি উচ্চ মূল্যস্ফীতি, ব্যাংক সুদহারের বৃদ্ধি, ডলার সংকট এবং বিনিয়োগ পরিস্থিতির দীর্ঘদিনের অবস্থার মধ্যে বেসরকারি খাত থেকে সম্পূর্ণ বিনিয়োগ আনতে চায় সরকার। স্বার্থে স্থিতিশীলতা ও কর্মসংস্থান বজায় রাখার জন্য বিনিয়োগ বাড়ানো সরকারের সর্বোচ্চ প্রাথমিকতা হিসেবে গণ্য।
আগামী বাজেটে স্থিতিশীল নীতি পরিবেশ নির্মাণ করতে গিছে আর্থিক অঙ্কের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৩১ দশমিক ৪ শতাংশ; টাকার মূল্যে যা হবে প্রায় ২১ লাখ ৪৫ হাজার ১৩৩ কোটি টাকা। এ লক্ষ্যে অবকাঠামো, জ্বালানি, লজিস্টিকস এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতগুলোতে বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। সরকারি খাত থেকে বিনিয়োগ হবে জিডিপির ৬ দশমিক ৫ শতাংশ পরিমাণে, যা প্রায় ৪ লাখ ৪৪ হাজার ৫৬ কোটি টাকার সমান। স্থিতিশীল বিনিয়োগ ঘটনা ও শিল্পপ্রক্রিয়াজাতকরণ খাতগুলোতে কর্মকর্তা নেতৃত্বে কর্মসংস্থানের স্বার্থে কাজ করা হচ্ছে।
বিশেষ ভাবে নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং অর্থনৈতিক অঞ্চলভিত্তিক শিল্পায়ন ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। অবকাঠামোগত সক্ষমতা বৃদ্ধি ও সংস্কার কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ। বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য করসুবিধা, নীতিগত সহায়তা এবং ব্যবসা সহজীকরণ কার্যক্রম আরও বিস্তার করার পরিকল্পনা রয়েছে।
“উচ্চ প্রবৃদ্ধির জন্য অন্তত ৩০ শতাংশের বেশি কার্যকর বিনিয়োগ প্রয়োজন, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে তা অর্জন কঠিন।”
বেসরকারি ঋণপ্রবাহ বৃদ্ধির কারণে আগামী বছরে বিনিয়োগের দরুন উদ্যোক্তাদের আগ্রহ বৃদ্ধি পেতে সম্ভব নয়। সংকোচনমুখী মুদ্রানীতি, বাংলাদেশ ব্যাংকের দীর্ঘদিন ধরে সুদহার বৃদ্ধি ও ব্যাংক খাতের চাপ বিনিয়োগ পরিস্থিতির উন্নতি কঠিন করে তুলছে। উপরন্তু সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণ গ্রহণের প্রবণতা বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমিয়ে তুলছে।
উদ্যোক্তারা নতুন বিনিয়োগের বদলে বর্তমান শিল্প টিকিয়ে রাখার কাজটিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। ডোমেস্টিক বন্ড চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে এবং হংকং ও লন্ডনে বাংলাদেশকেন্দ্রিক ফান্ড গঠনের কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির পরিমাণ স্থির হয়েছে কেবল ৬ দশমিক ৪০ শতাংশ। এর আগে প্রত্যাশিত ছিল ৯ দশমিক ৮ শতাংশ। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত সেই লক্ষ্য কমিয়ে ৭ দশমিক ২ শতাংশ ধার্য করা হয়েছিল, কিন্তু অর্জিত প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ১০ শতাংশে থাকার কারণে স্থিতিশীল বিনিয়োগ পরিস্থিতি পরিষ্কার হয়নি।
আগামী বছরে সামান্য হলেও বিদেশি বিনিয়োগ প্রবাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৫ সালে নিট প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ প্রবাহ �
