যমুনার ভাঙনের মুখে বাঁধ-ফসলি জমি
যম ন র ভ ঙন র ম – যমুনার ভাঙনের মুখে বাঁধ-ফসলি জমি নদীতে পরিণত হচ্ছে। বগুড়া জেলার ধুনট উপজেলার যমুনা নদীর বানিয়াজান এবং শহড়াবাড়ি স্পারের মধ্যে এই ভাঙন ঘটেছে। এই ঘটনা গত বৃহস্পতিবার রাতে চোখে পড়তে শুরু করেছিল। প্রকল্প অনুযায়ী তীর সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ কার্যকর করা হয়েছিল, কিন্তু তা যথেষ্ট পরিমাণে কার্যকর হয়নি। তাই যমুনার ভাঙনের প্রকৃতি এখন অপেক্ষাকৃত গুরুতর হয়ে উঠেছে।
বিপর্যস্ত অঞ্চলগুলি
যমুনার ভাঙন ঘটানো অঞ্চলে মানুষের জীবন বিপন্ন হয়েছে। স্থানীয় সূত্র বলে, নদী ধুনট উপজেলার ভান্ডারবাড়ী ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। এখন পর্যন্ত বৈশাখী, রাঁধানগর, বথুয়ারভিটা, নিউসারিয়াকান্দি, আটারচর পুকুরিয়া, ভুতবাড়ি এবং কৈয়াগাড়ি গ্রামগুলি যমুনার ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে। গ্রামের বহু বাসিন্দা বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে আশ্রয় নিয়েছেন।
যমুনার ভাঙন ঘটানো এলাকার মানুষ জানায়, নদীর চর কেটে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন এবং শুষ্ক মৌসুমে চরে রাখা বালুভর্তি জিও ব্যাগের কারণে বর্ষায় ভাঙন তীব্র হয়েছে। তাঁদের বলেন, দুই দিনের মধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
গত শনিবার দুপুরে শহড়াবাড়ি গ্রামে দেখা গেছে যে যমুনার ভাঙন স্থানে বালুর বস্তা ফেলছে বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মীরা। এই বাঁধের পার্শ্বে বাসা বসিয়েছে মানুষের সম্প্রদান। সমস্যার পরিমাণ দেখা গেছে অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য।
নির্মাণ ও স্পার তৈরি
২০০৩ সালে বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের অর্থায়নে যমুনার ভাঙন রোধের জন্য স্পার নির্মাণ করা হয়েছিল। স্পার হল বানিয়াজান এবং শহড়াবাড়ি গ্রামের মধ্যে দুটি দৈর্ঘ্যের হালকা অংশ। প্রকল্প চালু হয়েছিল এবং কাজটি ২০০৭ সালে সম্পূর্ণ হয়েছিল।
গতকাল ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছিল। প্রকৌশলী আছাদুজ্জামান বলেন, ঠিকাদারকে বালু বস্তা ফেলে ভাঙন রোধের জন্য দ্রুত কাজ শুরু করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। ইউএনও আরিফ উল্লাহ নিজামী জানান, কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে যমুনার ভাঙন মেরামতের কাজ শেষ করার জন্য সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
যমুনার ভাঙন ঘটানো অঞ্চলের জনগণ এখনও অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছে। মানুষের সম্প্রদান বাঁধের দুর্গম অংশে অবস্থা�
