Bangladesh

‘ঘুষে’ সংশোধন হয় জমি রেজিস্ট্রির নামের ভুল

‘ঘুষে’ সংশোধন হয় জমি রেজিস্ট্রির নামের ভুল

ঘ ষ স শ ধন হয় জম – ঘ ষ স শ ধন হয় জমি রেজিস্ট্রির নামের ভুলে কক্সবাজারের রামু উপজেলার মণ্ডলপাড়া গ্রামে একটি চৌকিরি ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার সাক্ষী হিসাবে লোকমানুল হক শিক্ষকের কাছে পৌঁছেছে। তিনি মামাতো ভাইয়ের জমি বিক্রয় নিবন্ধনে সাক্ষী হয়েছিলেন। জমিদাতার খতিয়ানে পিতার নামে নাছিরের স্থানে কিছু ভুল ছিল। এ ভুলটি অনুসরণ করে সাব-রেজিস্ট্রার জমি রেজিস্ট্রি করে দেওয়া নির্দেশ দেন। শেষপর্যন্ত ঘুষ দিয়ে দলিলটি নিবন্ধন করাতে হয়। নামের এই ক্ষীণ ভুল থেকে সম্পূর্ণ পরিবর্তন ঘটেছে।

ঘুষে সংশোধনের ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত বিশ্লেষণ

রামু উপজেলার সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে দুই বছরের বেশি সময় ধরে বিভিন্ন অভিযোগ শোনা গেছে। এ প্রসঙ্গে একজন সাব-রেজিস্ট্রার ও মোহরার কর্মকর্তার প্রতি টাকা ঘুষ দেওয়া হয়ে থাকে। নামের ক্ষীণ ভুল দেখে অনেক ক্ষেত্রে দলিল নিবন্ধন আটকে রাখা হয়। শিক্ষক লোকমানুল হক ও তাঁর মামাতো ভাইয়ের মধ্যে এ ঘটনা ঘটেছে। নিবন্ধনের প্রক্রিয়া অটোমেটেড হওয়ার পরিবর্তে হাতে কার্যক্রমে কিছু মামুলি ভুল আটকে রাখা হয়। ঘুষ দেওয়ার পর নিবন্ধন পরিচালনা করা হয়।

‘৫-৬ মাস আগে আমি দুই ভাগনে কাছ থেকে কেনা জমি নিবন্ধন করতে যাই। কিন্তু দলিলে আমাকে সাক্ষী করা হয়েছে দেখে নিবন্ধন আটকে দেন। পরে ঘুষ নিয়ে দলিল নিবন্ধন করে দেওয়া হয়। আগেও চাচাতো ভাইয়ের কাছ থেকে জমি কেনার সময় নিবন্ধন আটকে দিয়ে এক লাখ টাকা ঘুষ আদায় করেন সাব-রেজিস্ট্রার ও মোহরার।’ – খোরশেদ জুয়েল চৌধুরী

গবেষণার পর জানা গেছে যে সরকারি ফি ছাড়া বেশি টাকার দলিল নিবন্ধনে প্রতি লাখে দুই হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়। কিছু ক্ষেত্রে এ টাকা প্রতি লাখে ১ হাজার টাকাও হতে পারে। এ ছাড়া হেবা, দানপত্র, জীবনস্থ ক্ষেত্রে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অধিকন্তু সর্বনিম্ন স্তরে অপরাধীদের জমি রেজিস্ট্রি করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ অর্থ বাক্সে দেওয়া হয়।

জমি রেজিস্ট্রি প্রক্রিয়া নিয়ে বিশেষ তথ্য

ঘুষে সংশোধন হয়ে যাওয়া �

Leave a Comment